দর্শক আমাকে নতুন রূপে দেখবে: মিথিলা

২০২১ সালে ‘মায়া’ সিনেমা দিয়েই টালিউডে অভিনয়ে যাত্রা শুরু করেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। তাই এ সিনেমাটি নিয়ে একটু বেশিই আগ্রহ তাঁর। ‘আয় খুকু আয়’ সিনেমা দিয়ে টালিউডে অভিষেক হলেও ‘মায়া’র জন্য অপেক্ষায় ছিলেন তিনি। অবশেষে সিনেমাটি মুক্তির ঘোষণা দিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান। চলতি মাসেই কলকাতার প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘মায়া’।

ঢাকা, কলকাতা মিলিয়ে মুক্তির অপেক্ষায় আছে তাঁর আরও চারটি সিনেমা। এ ছাড়া ঈদে তাঁকে চরকির সিরিজ ‘মাইসেলফ অ্যালেন স্বপন’-এও দেখা যাবে।

উইলিয়াম শেক্‌সপিয়ারের ‘ম্যাকবেথ’-এর ছায়া অবলম্বনে তৈরি হয়েছে ‘মায়া’। ছবিটিতে মাহিরা থেকে মায়ারূপে হাজির হয়েছেন মিথিলা। কীভাবে? নিজেই সে গল্প শোনালেন মিথিলা।

মাহিরা মুসলিম মেয়ে। জীবনের চলার পথে নানা ধরনের বাধার মুখে পড়ে। একটা সময় মায়া হয়ে ঘুরে দাঁড়ায়। গল্পে তিনটি আলাদা সময়, আলাদা রূপে মিথিলাকে দেখা যাবে। তা ছাড়া চরিত্রটির সংলাপে হিন্দির আধিক্য আছে। কাজটি তাঁর জন্য অতটা সহজ ছিল না।

চরিত্রটির প্রস্তুতি নিয়ে মিথিলা বলেন, ‘পরিচালক তাঁর ভাবনাগুলো আমাকে বলেছেন, প্রস্তুতি আমি নিজে নিজে নিয়েছি। প্রায় দুই মাস প্রস্তুতি নিয়েছি। চরিত্রটি কীভাবে তাকাবে, কীভাবে কথা বলবে, হাঁটাচলা সবই অনুশীলন করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একাধিক রূপ, বয়স ও অন্য ভাষা—এভাবে আমাকে আগে দর্শক কখনো দেখেননি। বলতে পারেন, সিনেমায় এটি আমার নতুন জন্ম।’

অভিনেত্রী জানান, তিনটি চেহারার মধ্যে একটিতে তিনি ২০ থেকে ২২ বছরের মেয়ে, আরেকটিতে ৪০ বছরের, অন্যটিতে ৫৫ বছরের এক নারী। তিনটি বয়সের আলাদা চেহারা, কথা বলার ভঙ্গিও আলাদা। ছবিতে প্রায় ৭০ ভাগ সংলাপই হিন্দিতে দিতে হয়েছে।

টানা শুটিং, পরপর তিনটি চরিত্রে কাজ করতে গিয়ে সমস্যা হয়নি? এ প্রশ্নের উত্তরে মিথিলা বলেন, ‘এটা তো মায়ার জার্নি। এ কারণে কিছুটা সুবিধা ছিল। দিন ভাগ করে করে চরিত্রগুলোর শুটিং হয়েছে। তা ছাড়া আমার নিজের একটা সুবিধা আছে, আমি যখনই যে চরিত্রের জন্য গেটআপ নিই, সঙ্গে সঙ্গে ওই চরিত্রের মধ্যে ঢুকে যেতে পারি। ভাষা নিয়েও তেমন সমস্যা হয়নি। হিন্দিটা আমি আগে থেকেই মোটামুটি পারি।’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *