সিলেটে বাংলাদেশ-আয়ারল্যান্ডের মধ্যকার ওয়ানডে সিরিজ চলছে। তবে এরই মধ্যে ঢাকায় উড়ে এসেছেন টাইগারদের টেস্ট ও টি-টোয়েন্টি অধিনায়ক সাকিব আল হাসান। এর অবশ্য কারণও রয়েছেন। ঢাকায় এসে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হলেন বিশ্বসেরা এই অলরাউন্ডার।
মঙ্গলবার (২১ মার্চ) দুপুরে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বলাকা কার্যালয়ে এক জমকালো অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে সাকিবকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এ সময় এয়ারলাইন্সটির প্রচারণায় অংশ নিতে চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করেছেন টাইগারদের এই প্রাণভোমরা।
এরপর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছেন। বলেছেন নানা বিষয় নিয়ে কথা। সাকিব বললেন, ছোটবেলায় তার পাইলট হওয়ার ইচ্ছে ছিল। শুধু পাইলট নয় ডাক্তারও হতে চেয়েছি, ইঞ্জিনিয়ারও হতে চেয়েছি, আল্টিমেটলি ক্রিকেটে শেষ হয়েছে। যখন প্রিমিয়ার লিগ হয়, তখন সবাই বিমানকে মিস করে। শুধু আমি না। আশা করি, ক্রিকেট এবং বিমান একসাথে যেভাবে এগিয়ে যাচ্ছে, বিদেশিদের কাছে মুখ উজ্জ্বল করছে, সেভাবেই এগিয়ে যেতে থাকব।’
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে গত সোমবার দ্বিতীয় ওয়ানডে ম্যাচ বৃষ্টিতে পরিত্যক্ত হয়েছে। মুশফিকের টর্নেডো সেঞ্চুরিতে রেকর্ড ৩৪৯ রান তুলেছিল বাংলাদেশ। ক্রিকেট নিয়ে কথা বলতে না চাইলেও ম্যচ পরিত্যক্ত হওয়ায় হতাশ সাকিব, ‘জিতে গেলে অবশ্যই ভালো লাগত। যারা ভালো খেলেছে তাদের জন্য। যেমন মুশফিক, তার জন্য আরও ভালো হতো। কিন্তু এটা আমাদের হাতে নেই। তাছাড়া আজ তো বিমান নিয়ে কথা বলছি, ওসব না বলি।’
বাংলাদেশ বিমানের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিজের লক্ষ্যের কথাও জানিয়েছেন বিশ্বসেরা অল-রাউন্ডার। তিনি বলেন, বিমান বর্তমানে লাভজনক অবস্থানে রয়েছে। সামনের দিনে আরও এগিয়ে যাবে। বিমানের অসংখ্য ভালো দিক রয়েছে যেগুলো সবার সামনে তুলে ধরতে পারলে বিশ্বের অন্যান্য এয়ারলাইন্সের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় সক্ষমতা বাড়বে বিমানের। বিশেষ করে সেফটি ইস্যুতে বিমান কখনো আপোষ করে না। এ ধরনের ইতিবাচক বিষয়গুলো প্রচার হওয়া দরকার। প্রধানমন্ত্রীও বিমানের প্রতি সহানুভূতিশীল।
চুক্তি সই অনুষ্ঠানে বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান মোস্তাফা কামাল উদ্দীন, বিমানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও শফিউল আজিম উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে বিকেলে সাকিব বলাকায় গেলে তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়। এরপর আলোচনা ও প্রশ্নোত্তর পর্ব শেষে আনুষ্ঠানিকভাবে চুক্তি সই হয়। এছাড়া সাকিবের সৌজন্যে কাটা হয় একটি কেক।
বিমান জানায়, সাকিব আল হাসান একসময় বিমানের ক্রিকেট টিমের সদস্য ছিলেন। এছাড়া বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক চারজন সদস্য বর্তমানে বিমানে বিভিন্ন পদে কর্মরত।
