১ বছর পর মেয়ের ছবি প্রকাশ্যে আনলেন প্রিয়াংকা

বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াংকা চোপড়া মা হয়েছেন ২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে। তবে মা হওয়ার পদ্ধতি ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সারোগেসির মাধ্যমে মা হন তিনি। আর তাই বলেছিলেন মেয়ে মালতীর মুখ কাউকে দেখাবেন না।

মালতীর জন্মের পর থেকে যখনই ছবি দিয়েছেন প্রিয়াংকা, তখনই ঢেকে রেখেছিলেন মেয়ের মুখ। পাপারাৎজিদের হাজার চেষ্টাতেও মালতীর মুখ সামনে আসেনি। প্রিয়াংকা জানিয়েছিলেন, ক্যামেরা থেকে দূরে রাখবেন মেয়েকে। একটু বড় হলে তবেই প্রকাশ্যে আনবেন মেয়েকে।

সম্প্রতি গোটা দুনিয়া দেখল প্রিয়াংকা ও নিক জোনাসের একমাত্র কন্যার মুখ। মিষ্টি ফুটফুটে মালতীর হাসিমুখওয়ালা ছবি এখন ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়।

সাদা জামা, মাথায় সাদা ফুলের হেয়ার ব্যান্ড এই প্রথম ক্যামেরার সামনে মালতী। নিক জোনাস, না কি প্রিয়াংকা, কার মতো দেখতে হয়েছে মালতী?

হলিউডের ‘ওআক অফ ফেম’ স্বীকৃতি পেলেন জোনাস। সেই অনুষ্ঠানে উপস্থিত গোটা জোনাস পরিবার। মঞ্চে পুরস্কার নিচ্ছেন মালতীর বাবা নিক। দর্শক আসনে মায়ের কোলে বসে মালতী। বাদামি বডিকন পোশাকে প্রিয়াংকা মায়ের কোলে বসা মালতী সেখানেই ক্যামেরাবন্দি।

মেয়ের ত্বক কিংবা চেহারায় ভারতীয় ছাপ খুব একটা নেই। ছোট্ট মালতীকে দেখা মাত্র সকলেই একবাক্যে মানছেন, মেয়েকে দেখতে একেবারে বাবার মতো। প্রিয়াংকা চোপড়া সোশ্যাল মিডিয়ায় মেয়ের সঙ্গে একটি ভিডিও শেয়ার করেছেন। ছবি ঘিরে অনুরাগীদের উন্মাদনা লক্ষ করা গেছে। ভালবাসায় ভরিয়ে দিলেন দেশ-বিদেশের মানুষ।

নায়িকা হঠাৎ সারোগেসির মাধ্যমে কেন মা হলেন, তা নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল বলিপাড়ায়। অনেকে তো নানারকম মন্তব্য করে কটাক্ষ করেছিলেন প্রিয়াংকাকে। তবে প্রায় এক বছর পর নিজের সারোগেসি নিয়ে মুখ খুললেন প্রিয়াংকা।

স্পষ্টই জানালেন, কোন পরিস্থিতিতে তিনি সারোগেসির সাহায্য নিতে বাধ্য হয়েছেন। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, সারোগেসির পর আমাকে অনেক কটাক্ষের সম্মুখীন হতে হয়েছে। কিন্তু সেই সময় আমি নীরব থাকাটাই উচিত মনে করেছিলাম। এখন বলছি। অনেক সমস্যা থাকার ফলেই সারোগেসির সাহায্য নিয়েছি।

প্রিয়াঙ্কা আরও বলেন, আমার অনেক রকমের শারীরিক সমস্যা ছিল। মা হওয়ার জন্য সারোগেসি আবশ্যিক হয়ে দাঁড়িয়েছিল। আমি ভাগ্যবতী যে, আমার ক্ষমতা আছে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার। যিনি এ প্রক্রিয়ায় সাহায্য করেছেন তার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *