আলোচনায় আসতে আমার নাম জড়ানো হয়: রায়হান রাফি

স্টারকিড থেকে নায়িকা হওয়া প্রার্থনা ফারদিন দীঘির মিডিয়া যাত্রায় কিছুটা বিঘ্ন হচ্ছে! অনেকদিন ধরে তিনি বিভিন্ন প্রতিবন্ধতার মুখোমুখি হচ্ছিলেন, কিন্তু সেসব কথা কখনো মুখ ফুটে বলেননি। তাই এতদিন এসব প্রকাশ্যেও আসেনি। সবকিছু ‘মানিয়ে চলার চেষ্টা’ আর সহ্য করতে পারলেন না দীঘি!

অবশেষে দীঘি জানালেন, দীর্ঘ তিন বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রির সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েছেন। ইন্ডাস্ট্রিতে নানা সময়ে রাজনীতির শিকার হয়েছেন। এছাড়া কিছু কাজে তার সঙ্গে কথা হওয়ার পরে অন্যদের কাস্ট করা হয়েছে বলেও জানান দীঘি।

সোমবার (১২ ডিসেম্বর) সোশ্যালে এক স্ট্যাটাসে এমনটা জানানোর পরে সূত্রের বরাত দিয়ে কিছু সংবাদমাধ্যম জানায়, তরুণ নির্মাতা রায়হান রাফি তার কাজে নেবে বলে মৌখিকভাবে কথা বলার পরে লিখিত চুক্তি করার কথা বলে বাদ দিয়েছেন দীঘিকে।

বিষয়টি নিয়ে সংবাদমাধ্যমসহ সোশ্যালে যখন নানা আলোচনা-সমালোচনা হচ্ছে, সেই মুহূর্তে এ নিয়ে সঙ্গে কথা বললেন রায়হান রাফি।

সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘আমার নাম জড়ালে হয়তো আলোচনায় আসা যায় অথবা নিউজগুলোর ভিউ বাড়ে, তাই জড়ানো হয়। তা না হলে কেন আমাকে জড়িয়ে ভিত্তিহীন সংবাদ করা হবে।’

কিছু সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে, ‘সুড়ঙ্গ’ নামের সিনেমায় দীঘিকে নেয়ার কথা ছিল রায়হান রাফির। এ বিষয়ে দীঘির সঙ্গে মৌখিক কথাও হয়েছিল রাফির। আগামী সপ্তাহে লিখিত চুক্তি করার কথা বলে পরে দীঘিকে বাদ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে জানানো হয়।

প্রসঙ্গটি রায়হান রাফির কাছে তুলে ধরতেই বলেন, ‘আমার সঙ্গে সিনেমার কাজ নিয়ে অনেক অভিনেতা-অভিনেত্রীর সঙ্গেই কথা হয়। গল্প শোনানো হয়, পরিকল্পনা শেয়ার করা হয়। একটা চরিত্রের জন্য একাধিক শিল্পীর সঙ্গে কথা বলতে হয়। গল্পের প্রয়োজনে সেখান থেকে যাকে সেরা মনে হয় তাকেই নেয়া হয়। আমার প্রতিটি সিনেমা এভাবেই করা। আর গল্পের প্রয়োজনে পরিচালক সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। এখন কারো সঙ্গে কথা বলার পরে কেউ যদি সেটা ইস্যু বানায় তাহলে কী করার আছে আমার।’

এর আগে সোমবার দীঘি নিজের ফেসবুকে জানান, তিন বছর ধরে ইন্ডাস্ট্রির সিন্ডিকেটের কবলে পড়ে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন তিনি। ওই পোস্টে জানা যায়, দীঘি নানা সময়ে ইন্ডাস্ট্রির রাজনীতির শিকার হয়েছেন। তাঁকে কাস্ট করার পরও বাদ দিয়ে অন্যকে নেওয়া হয়েছে।

সিন্ডিকেটের খেলায় অসুস্থ হয়ে পড়েছেন দীঘি―এমনটাই জানিয়ে বলেন, ‘আমার এই লেখার কোনো উদ্দেশ্য নেই। এটা সবাই জানেন। আর এই ক্ষোভ আমি তিন বছর ধরে বুকে পুষে চলেছি। আমি একেবারে ক্লান্ত ও অসুস্থ হয়ে পড়েছি এই সিন্ডিকেটের খেলায়, দুঃখিত। ’

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দীঘি বলেন, হ্যাঁ একজন তরুণ নির্মাতা আমাকে তাঁর চলচ্চিত্রে কাস্ট করেছিলেন। শুধু লিখিত চুক্তি বাকি ছিল। কিন্তু আমাকে না জানিয়েই সেখানে অন্য একজন শিল্পীকে নেন। এটা খুবই অন্যায়। এর আগেও একাধিকবার তিনি এ কাজ করেছেন। আমি নাম বলতে চাই না, আমি ন্যাচারাল রিভেঞ্জে বিশ্বাস করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *