নির্ধারিত সময়ে গোল নেই, যোগ করা অতিরিক্ত সময়েরও অর্ধেক ছিল প্রায় শেষের পথে। ব্রাজিলের দুশ্চিন্তাটাও যেন পাল্লা দিয়ে বাড়ছিল। শেষমেশ নেইমারই ব্রাজিলকে সেই দুশ্চিন্তা থেকে মুক্তি দিলেন। ১০৪ মিনিটে এসে নেইমারের গোলে লিড পেয়েছে দলটি।
ম্যাচের শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলে দুই দল। ম্যাচের পঞ্চম মিনিটে গোলমুখে প্রথম শট নেয় ব্রাজিল। তবে ভিনিসিয়াস জুনিয়রের সেই শট সহজেই রুখে দেন ক্রোয়েট গোলরক্ষক লিভাকভিচ। এর ঠিক আট মিনিট পর প্রথমবারের মতো ভালো সুযোগ পায় ক্রোয়েশিয়া।
বল পায়ে নিজেদের অর্ধ থেকে ডি-বক্স পর্যন্ত চলে যান ইউরানোভিচ। তার বল পেয়ে ক্রস করেন পাসালিচ। দারুণ জায়গায় বল পেয়ে যান পেরিসিচ। তবে মিলিতাওয়ের চাপের মুখে শট রাখতে পারেননি লক্ষ্যে। এই যাত্রায় রক্ষা পায় ব্রাজিল।
ম্যাচের ২০তম মিনিটে পেনাল্টি স্পটের কাছে ভিনিসিয়াসের শট ব্লক করেন সোসা। কয়েক সেকেন্ড পর গোলরক্ষক বরাবর দুর্বল শট নেন নেইমার। ৩০তম মিনিটে পেরিসিচের দূরপাল্লার শট চলে যায় ক্রসবারের উপর দিয়ে। এরপর আর কোনো দলই ভালো সুযোগ না পাওয়ায় গোলশূন্য ড্র নিয়ে মাঠ ছাড়ে এই দুই দল।
