রাজধানীর নয়াপল্টনে নাইটিংগেল মোড় থেকে ফকিরাপুল মোড় পর্যন্ত সড়ক দীর্ঘ ২৪ ঘণ্টা পর খুলে দেয়া হয়েছে। বুধবার বিএনপির কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষের পর থেকে এই সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল।
বৃহস্পতিবার বিকেল ৪টার পর নাইটিংগেল মোড় থেকে ফকিরাপুল পর্যন্ত চলাচলের রাস্তা খুলে দিলে যানবাহন চলাচল শুরু হয়।
এর আগে পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল, নিরাপত্তার স্বার্থে এই রাস্তায় চলাচল বন্ধ করা হয়েছে। রাস্তার দুপাশের দোকান এবং ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানও বন্ধ রয়েছে সকাল থেকে। তবে সাধারণ মানুষ তাদের পরিচয়পত্র দেখিয়ে যাতায়াত করতে পারবে।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের যুগ্ম কমিশনার (অপারেশন) বিপ্লব কুমার সরকার বলেন, ‘এটা ক্রাইম সিন। কালকে এই অফিস (বিএনপি কার্যালয়) থেকে আমাদের পুলিশ সদস্যদের লক্ষ্য করে অনেক বোমা নিক্ষেপ করা হয়েছে, ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে। পরে আমরা তাদের এখানে অভিযান চালাতে বাধ্য হই এবং একপর্যায়ে তাদের সবাইকে সরিয়ে দিয়ে অফিসের ভেতরে অভিযান পরিচালনা করি। সেখান থেকে আমরা প্রচুর পরিমাণ ককটেল এবং নাশকতা চালানোর মতো অনেক উপাদান আমরা জব্দ করি। সো, এটি আমাদের দৃষ্টিতে একটি ঘটনাস্থল। যেটিকে আমরা প্লেস অব অকারেন্স বলে থাকি পুলিশের ভাষায়।’
ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার আরও বলেন, ‘আমাদের সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট এখানে এসে কাজ করবে, ডগ স্কোয়াড কাজ করবে। আমাদের কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত এখানে কেউ প্রবেশ করতে পারবে না।’
১০ তারিখ বিএনপির নির্ধারিত গণসমাবেশের আগে কাজ শেষ হবে কিনা—সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে বলেন, ‘নির্দিষ্ট কোনো দিন নেই। ১০ তারিখ, ১১ তারিখ আমাদের কাছে কোনো মুখ্য বিষয় না। পুলিশের কাছে মুখ্য বিষয় হচ্ছে, এখান থেকে বোমা নিক্ষেপ হয়েছে, ককটেল নিক্ষেপ করা হয়েছে, আমাদের সদস্যদের আহত করা হয়েছে। সাধারণ জনগণকে আতঙ্কিত করার চেষ্টা করা হয়েছে। সাধারণ মানুষ এখানে আহত হয়েছে, সাধারণ মানুষ নিহত হয়েছে। এখানে আমাদের তদন্তকাজ চলমান। তদন্ত কবে শেষ হবে, সেটা নির্দিষ্ট করে বলা যাবে না।’
