সুযোগটা আমি হাতছাড়া করতে চাইনি: মৌসুমী হামিদ

দীর্ঘদিনের ইচ্ছে পূরণ হল অভিনেত্রী মৌসুমীর। এতদিন ধরে টেলিভিশনে যাঁকে দেখে শুধু মন ভরিয়েছেন, এবার তাঁর সঙ্গে স্ক্রিন শেয়ার করছেন তিনি। আর এর থেকে আনন্দের, আবেগের, উচ্ছ্বাসের মুহূর্ত তাঁর কাছে কিছুই হতে পারে না।

অভিনেত্রীর কথায়, ‘আমাদের গুণী অভিনেতাদের মধ্যে আফজাল হোসেনের নাম আসে’। অর্থাৎ বোঝাই যাচ্ছে, কার সঙ্গে কাজ করার স্বপ্ন দেখেছেন হামিদ।

এখন ঢাকাই ইন্ডাস্ট্রির একটা গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছেন অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। পর্দায় আসার পর থেকেই আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজ করার ইচ্ছে ছিল তাঁর। এতদিন পর সেই অপেক্ষার অবসান ঘটেছে। ছবি ‘যাপিত জীবন’ তাঁকে দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণের সেই সুযোগ দিয়েছে।

তিনি বলেন, এই ছবিতে যুক্ত হওয়ার অনেক কারণ রয়েছে। প্রখ্যাত কথাসাহিত্যিক সেলিনা হোসেনের উপন্যাস থেকে ছবিটি বানানো হচ্ছে। যিনি বানাচ্ছেন তিনি আবার ক্লোজ বন্ধু অভিনেত্রী ভাবনার বাবা হাবিবুল ইসলাম হাবিব। ভাবনাও অভিনয় এতে। আর দেশভাগ, ভাষা আন্দোলনের সময়কার গল্পে এই সিনেমায় আফজাল ভাইয়ের সঙ্গে কাজ বড় সুযোগ। তাঁর মতো একজন বরেণ্য শিল্পীর সঙ্গে কাজ করার সুযোগটা হাতছাড়া করতে চাইনি। বরং ছবিটিতে অভিনয় না করার কোনো কারণ নেই নেই।

মৌসুমী হামিদ বলেন, ‘আফজাল হোসেন ভাইয়ের সঙ্গে অভিনয় করার ইচ্ছে বহুদিনের। কিন্তু কোনওভাবেই সেই সুযোগ হয়ে উঠছিল না। এজন্য ১২-১৩ বছর অপেক্ষা করতে হল আমাকে। আফজাল ভাই যেমন ভালো অভিনেতা, তেমনই ভালো একজন মানুষ। অভিনয় নিয়ে তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শিখছি এখন। এরকম একজন গুণী মানুষের সান্নিধ্যে থাকলে, প্রতি মুহূর্তে কিছু না কিছু শেখা যায়’। এক কথায় আফজাল হোসেনের সঙ্গে কাজ করা অভিনেত্রীর কাছে সৌভাগ্যের থেকে কোনও অংশে কম নয়।

ছবিটি মুক্তি পেলেও প্রচার-প্রচারণা ছিলো না বললেই চলে… অভিনেত্রী বলেন, হুম, তেমন প্রচারণা ছিলো না। তবে প্রচারণা চালালে হয়তো আরও দর্শক পাওয়া যেতো। আমিই বা কি করবো বলুন, ২৭ নভেম্বর থেকে ঢাকার বাইরে ‘যাপিত জীবন’ সিনেমার কাজ করি। যেজন্য সিনেমার প্রমোশনে অংশ নেওয়া সম্ভব হয়নি। শুটিং শেষ করে ৫ ডিসেম্বর ঢাকায় ফিরলাম। ফিরেই যতটা সম্ভব হলে হলে গিয়েছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *