শিল্পী সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচনে নির্বাহী সদস্য হিসেবে জয় পান মৌসুমী ও আলীরাজ। তবে তারা এতদিন কমিটিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। রোববার শপথ নেয়ার মাধ্যমে কমিটিতে সক্রিয় হলেন তারা।
গত ২৮ জানুয়ারির নির্বাচনে প্রথমে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। পরে জায়েদের বিরুদ্ধে ভোট কেনার অভিযোগ নিয়ে আদালত পর্যন্ত যান একই পদের প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ আক্তার।
আদালতে যখন জায়েদ-নিপুণের পাল্টাপাল্টি কর্মকাণ্ড শুরু হয় তখন মিশা-জায়েদের প্যানেল থেকে নির্বাচিত অনেকেই সক্রিয় ছিলেন না সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চনের নেতৃত্বাধীন কমিটিতে।
অন্যদিকে আদালতের নির্দেশে সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে কাজ করে যাচ্ছিলেন নিপুণ। আদালতে এখনও বিষয়টি চলমান, তবে আস্থা ফিরছে নিষ্ক্রিয় থাকা নির্বাচিত সদস্যদের।
২১ নভেম্বর শিল্পী সমিতির নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ খানের প্রার্থিতা বৈধ বলে হাইকোর্টের রায় স্থগিত করে আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে আপিল বিভাগ গ্রহণ করে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে নিপুণের লিভ টু আপিলও।
মূলত এই ঘটনার পরই মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে জয়ী কিন্তু কমিটিতে নিষ্ক্রিয় সদস্যরা আবার সক্রিয় হতে শুরু করেছেন।
রোববার বিকেলে চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে অনুষ্ঠিত এক সভায় মৌসুমী ও আলীরাজকে শপথ পড়ান সভাপতি ইলিয়াস কাঞ্চন।
এ বিষয়ে মৌসুমী বলেন, ‘এতদিন আমাদের মাঝে নানা ধরনের বাগবিতণ্ডা ছিল। সেসব মিটে গেছে। আজ থেকে আমরা সবাই এক হলাম।’
ইলিয়াস কাঞ্চন বলেন, ‘এতদিন সমিতি নিয়ে আমার একটু আক্ষেপ ছিল। আজ সেই আক্ষেপ দূর হয়ে গেল। অত্যন্ত ভালো লাগছে যে, আজ সবাইকে পেলাম। আমি দায়িত্ব নিলে সেটা যথাযথভাবে পালন করার চেষ্টা করি। গত ৯ মাস ধরে আমার যন্ত্রণা ছিল, আমি সবাইকে নিয়ে কাজ করতে পারছিলাম না। আজ সেই কষ্ট লাঘব হলো। আজ আমার কার্যকরী কমিটির সবাই এসেছে। আশা করছি সবাইকে নিয়ে আমরা কাজ করতে পারব।’
নিপুণ বলেন, আদালত জানিয়েছেন, নিপুণের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালনে বাধা নেই। তাই মিটিংয়ে অংশ নিয়ে সমিতির কার্যক্রম গতিশীল করা আমার দায়িত্ব। সদস্যরা আমাকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেছেন। আমি যদি সেই দায়িত্ব পালন না করি, তাহলে তাদের কাছে কী জবাব দেব?’
