Home দেশের খবর ঢাকা মির্জাপুরে বিক্রি হচ্ছে নারীদের বাহারি ট্রেন্ডি পোশাক

মির্জাপুরে বিক্রি হচ্ছে নারীদের বাহারি ট্রেন্ডি পোশাক

0
292

মো. সানোয়ার হোসেন, মির্জাপুর (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল ফিতর মুসলমানদের প্রধান এ ধর্মীয় উৎসবে মেতে উঠবে সারাদেশ। বাঁধ ভাঙা আনন্দে ঘরে ঘরে রান্না হবে মজাদার সব খাবার। তবে ঈদ আনন্দে এর চেয়েও বড় অনুসঙ্গ হলো ধনী-গরীব ভেদাভেদ ভুলে নতুন জামায় নিজেকে সাজানো। আর তাই তো বাহারি সব নতুন পোশাকে নিজেকে রাঙাতে, নতুন পোশাক কিনতে টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের মার্কেটগুলো হয়ে উঠেছে জমজমাট।

দিকেই বেশ আগ্রহ বলে জানালেন ক্রেতারা। গত কয়েক বছর ধরে ভারতীয় চিকনি চামেলি, মাসাককালি, লুঙ্গিড্যান্স ও ঝিলিক, পদ্মাবতী, কিরণমালা, পাখি, কটকটিসহ ভিন্ন ভিন্ন নামে পোশাক ক্রয় করতে দেখা গেছে। অন্যদিকে কমদামে চাহিদামতো পোশাক কিনতে নিম্ন বিত্তরা ভিড় করছেন ফুটপাতের দোকানে। ক্রেতাদের আগমনে বেশ খুশি বিক্রেতারাও। আর কম দামে চাহিদামতো পোশাক কিনতে পেরে ক্রেতারও যথেষ্ট সন্তুষ্ট।

পৌরসদরের সৈয়দ টাওয়ারের ব্যবসায়ী সেলিম মিয়া বলেন, ভারতীয় পোশাকের চাহিদা বেশ। সবচেয়ে বেশি জনপ্রিয়তা পেয়েছে ‘সারারা-গারারা,বারবি ও নায়ড়া’ ডিজাইনের আধুনিক পোশাক। তরুণীদের ভিড় জমছে সবচেয়ে বেশি।

মির্জাপুর বাজারের তোফাজ্জল মার্কেটের টুকিটাকি শপিং কর্ণারের তরুণ ব্যবসায়ী মো. হাবিব বলেন, বাজারে ক্রেতার সংখ্যা তুলনামূলক বেশি। বিক্রিও ভালো, তবে জিনিসের দাম বাড়তি দিয়ে কিনে এনে তেমনটা লাভে বিক্রি করা সম্ভব হচ্ছেনা। এতে অনেক ক্রেতা ছুটে যাচ্ছে।

ময়ূরাক্ষী ফ্যাশন হাউজের স্বত্ত¡াধিকারী নব চন্দ্র দাস লাবু বলেন, তীব্র তাপদাহের মধ্যেও মানুষের কেনাকাটার কোনো কমতি নেই। বাজারে ক্রেতারও যেমন ভিড় আছে তেমনিভাবে বিক্রিও চলছে। আমার দোকানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রীত ব্যবস্থা থাকায় ক্রেতারা অনেকটা স্বাচ্ছন্দেই কেনাকাটা করছেন। এ বছর লাভের আশা করছি।

গার্মেন্ট দোকানের ক্রেতা দাদা সজলের সাথে কথা হলে তিনি জানান, জিনিসের দাম অন্যান্য বছরের তুলনায় খুব বেশি বাড়তি না হওয়ায় স্বাচ্ছন্দেই কেনাকাটা করছি। দ্রব্যমূল্যের যে উর্ধ্বগতি সে তুলনায় পোশাকের দাম তুলনামূলক কম বলেই আমার মনে হচ্ছে।

পোষাকের পাশাপাশি জুতার দোকানগুলোতেও ভিড়ের একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে। ক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা যায়, গত বছরের চেয়ে এবছর জুতার দাম অনেকটাই বৃদ্ধি পেয়েছে। ক্রেতা মো. জীবন মিয়া বলেন, জুতা কিনতে হলে পায়ের মাপটি অত্যন্ত জরুরী হওয়ায় পরিবারের সকলকে সাথে নিয়ে আসতে হয়েছে। শুধু তাই নয়, তারা যেটা পছন্দ করে সেটা বিক্রির জন্য বিক্রেতাও হয়তো কিছুটা সুযোগ কাজে লাগিয়েছে।

সুজন সু হাউজের স্বত্ত¡াধিকারী মো. সুজন মিয়ার কাছে জুতার দাম সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সব ধরণের জুতার দামই গত বছরের চেয়ে বেড়েছে। প্রতি জোড়াতে আমাদের বেশি টাকা গুনতে হয়েছে। তারপরও এবারের বিক্রি ভালো হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

ক্রেতাদের নিরাপত্তার বিষয়ে জানতে চাইলে মির্জাপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন বলেন, মার্কেটগুলোতে আমাদের পক্ষ থেকে সর্বসময় নজদারিতে রয়েছে। বাজারে আসা মানুষদের সুরক্ষা নিশ্চিতে আমরা নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি।

এসএইচ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here