মরুভূমির উত্তাপ বইছে বাংলাদেশেও। ঢাকার হালকা শীতেও সেই উত্তাপ এখনও যারা আঁচ করতে পারেননি, তাঁদের মনে করিয়ে দিতে চাই কাতারে শুরু হতে যাচ্ছে দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ-খ্যাত ফুটবল বিশ্বকাপ।
নিজেরা না খেললেও সমর্থনে পিছিয়ে নেই বাংলাদেশ। নিজের পছন্দের দলের পতাকা আর জার্সির রঙে সাজতে শুরু করেছে পুরো দেশ। সঙ্গে কথার তর্ক তো আছেই। বিশ্বকাপ জ্বর উপভোগে কম যান না সিনেপর্দার তারকারাও।
ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় চিত্রনায়ক শাকিব খানও ফুটবলপ্রেমী। তবে তিনি আসলে কোন দলের সাপোর্টার? আর্জেন্টিনা না কি ব্রাজিল! সেটা নিয়ে দ্বিধার সৃষ্টি হয়েছে?
এই প্রশ্ন প্রকট হতেই শাকিবকে ফোন দেওয়া হলো। একবার দুইবার, তিনবার- শাকিব ফোন ধরলেন না। তবে ভক্তদের তৃষ্ণা মেটানোর উদ্যোগ তো নিতেই হবে। শাকিব খান তো আজকের নায়ক না, অনেকদিন ধরেই ইন্ডাস্ট্রিতে রাজত্ব করে যাচ্ছেন। নিশ্চয়ই তাঁর সমর্থনের কথা অজানা নয়। কিন্তু…
২০১৮ সালে দেশের বেশ কয়েকটি গণমাধ্যমে শাকিবের একটি বক্তব্য প্রচারিত হয়। সেখানে শাকিবের বক্তব্য ছিল, ‘একসময় নিয়ম করে প্রতিদিন ফুটবল খেলতাম। এখান আর সেই সুযোগ হয় না। মাঠে খেলার সময় নিজেকে ম্যারাডোনা মনে করতাম। তার মতো ফুটবল খেলার চেষ্টা করতাম। তখন থেকেই আমি আর্জেন্টিনার সমর্থক। ’
২০২১ সালে কোপা আমেরিকা জয়ের পর শাকিব তাঁর ফেসবুক পেইজে লিখেছিলেন,‘একটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত স্বপ্ন, যা অর্জন করা ভীষণ প্রয়োজন ছিল। অভিনন্দন আর্জেন্টিনা এবং লিওনেল মেসি; অনেক দিন পর একটি আন্তর্জাতিক গৌরব অর্জন করায়। ’
তবে ২০১৪ সালে দেশের একটি শীর্ষ ইংরেজি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শাকিব বলেছিলেন তিনি ছোটবেলা থেকেই ব্রাজিলের সমর্থক। এবং সে বছর ব্রাজিল কাপ জিতবে। বলছিলেন এটাই সময়, ‘নেইমারের খেলা আমাকে সবচেয়ে বেশি মুগ্ধ করে। ’
যদিও সেসবার আর্জেন্টিনা ফাইনালে পৌঁছে যায়। আর শাকিব খানের গায়ে দুই দলেরই জার্সি পাওয়া যায়। স্বাভাবিকভাবেই শাকিবের এসব বক্তব্য ও অবয়বে ভক্তরা দ্বিধান্বিত হয়ে যাচ্ছেন।
