দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা সিদ্দিকুর রহমান। সিদ্দিক হিসেবেই ভক্তদের কাছে বেশি পরিচিত। এই অভিনেতা ২০১২ সালের ২৪ মে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্পেনের নাগরিক মারিয়া মিমকে বিয়ে করেন।
বছর পেরোতেই পুত্রসন্তানের বাবা-মা এই দম্পতি। এরপর ২০১৯ সালের অক্টোবরে হটাৎ সিদ্দিকুরের সঙ্গে মারিয়া মিমের বিচ্ছেদ ঘটে। এই দম্পতির একমাত্র সন্তান আরশ রহমান আদালতের নির্দেশে মা-বাবা দুজনের কাছে থাকছেন।
গত ৩ অক্টোবর বাবা সিদ্দিকের কাছে এসেছিল আরশ। ৪ দিন বাবার সঙ্গে দারুণ সময় কাটিয়ে গতকাল রাতে সে মায়ের কাছে ফিরে গেছে।
এদিকে ছেলে চলে যাওয়ায় মন ভালো নেই সিদ্দিকের। শনিবার (০৮ অক্টোবর) সন্ধ্যায় ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে বিষয়টি জানিয়েছেন নিজেই। পাশাপাশি, গত কয়েকদিন ফেসবুকের ছবি দেখে যারা ভেবেছেন তিনি নতুন সংসার শুরু করেছেন, সেটি আসলে সঠিক নন। সিদ্দিক বিয়ে করেননি। নাহিদ এবং তাশার বিয়ের অনুষ্ঠানে ফটোসেশন করেছিলেন বাবা-ছেলে।
সিদ্দিক লেখেন, ‘আরশ হোসাইন গতকাল রাতে চলে গেছে তার মায়ের কাছে তাই আমার মনটা খুব ভালো ছিলো না। তাই সারাদিন ঘর থেকে বের হই নাই। যেহেতু ভাগ্যক্রমে আমার মা আমার কাছে তাই সারাদিন আমি আমার মায়ের সাথে সময় কাটালাম।
গত দুইদিন ধরে ফেসবুকের (নাহিদ এবং তাশা) বিয়ের কিছু ছবি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা হয়েছে আমার এবং আমার সন্তান আরশ হোসাইনকে নিয়ে। কিন্তুু আমি বিয়ে করি নাই এইটা ১০০% সত্যি। আমি বিয়ে করলে সবাইকে জানিয়েই করবো। লুকিয়ে বা পালিয়ে বিয়ে করবো না ইনশাল্লাহ।

কিন্তুু আমি অবাক হয়ে গেছি আমরা যারা ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করি তারা কোনকিছু ভলোভাবে না পড়ে বা না দেখে অনেক কিছু মন্তব্য করি। কিন্তুু সত্যিকার অর্থে সচেতন মানুষ হিসেবে এটা করা উচিত না।
এমন হলে মনে হয় তাহলে কি আমরা নিজেদেরেক নিজেরাই চিনতে পারি নাই। আর যখন আপনি নিজেকে চিনতে পারবেন না তখন আপনার পাশে থাকা স্বার্থপর মানুষটি আপনার দুর্বলতা সুযোগটা গ্রহণ করবে। সচেতন মানুষ হিসাবে এটা করতে দেওয়া কোনভাবেই সম্ভব নয়।
অতএব সবাইকে বলব ফেসবুক বা সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হোন। আল্লাহপাক সবাইকে ভালো রাখুন। আমিন।’
