২০১৬ সালে ‘বায়ান্ন থেকে একাত্তর’ ছবিতে জুটি বেঁধে অভিনয় করেছিলেন ফেরদৌস ও নিপুণ। পরিচালক ছিলেন দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। দীর্ঘদিন পর এই পরিচালকের নতুন একটি ছবি দিয়ে আবারও জুটি হিসেবে বড় পর্দায় ফিরছেন দুজন। ছবির নাম ‘সুজন মাঝি’।
ছবিতে ফেরদৌস মাঝির চরিত্রে আর নিপুণ বড়লোক বাবার শিক্ষিত মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। গাজীপুরের পূবাইলের গ্রামীণ লোকেশনে নাটকটির শুটিং শুরু হয়েছে।
‘সুজন মাঝি’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনের পর অভিনেতা জায়েদ খানের সঙ্গে দ্বন্দ্বের বিষয়ে কথা বলেছেন নিপুণ। সম্প্রতি তারই একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল মিডিয়া ফেসবুকে।
শুক্রবার (১২ আগস্ট) ভোরে ফেসবুকে নিপুণের পুরনো একটি ভিডিও ক্লিপ পোস্ট করেন নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। ভিডিওটি মূলত ‘সুজন মাঝি’ সিনেমার শুটিং সেট থেকে নেয়া। এতে জায়েদ খানের বিষয়ে কথা বলেন অভিনেত্রী নিপুণ। আর পুরনো সেই ভিডিওটিই নতুন করে পোস্ট করায় ঝড় উঠেছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
অভিনেত্রী নিপুণ বলেন, “আমি সব সময় কি করেছি, কাজ দিয়ে সেটা আদায় করার চেষ্টা করেছি। নির্বাচন থেকে যখন আমি চ্যালেঞ্জ করেছি, আমি কিন্তু কথা দিয়ে না, আমার কাছে প্রমাণপত্র ছিল, কিছু কাগজ ছিল আমি সেগুলো দিয়েছি আপিল বিভাগে। আপিল বিভাগ সেই সব পেয়েছে।”
তিনি বলেন, “তো কথা দিয়ে তো কিছু হবে না, কাজ দিয়ে সেটা প্রমাণ করতে হবে। আমার মনে হয় আমি কাজ দিয়ে সেটা প্রমাণ করেছি।”
এছাড়া নির্লজ্জ মন্তব্যের বিষয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, “এখন আমি বলব যে, দর্শকের কি তাই মনে হয় আমি নির্লজ্জ? আমি যেটা করছি, আদালত যে রায় দিচ্ছে, আমরা কিন্তু সেগুলো মেনেই কাজ করছি। তার সঙ্গে সঙ্গে আমি কি করছি, আমি যেহেতু শিল্পী। আমি কিন্তু আবার আমার ট্র্যাকে চলে এসেছি, আবার কাজ করছি। আমার কমিটির সবাই কাজ করছে। তাহলে সেই জায়গা থেকে নির্লজ্জ আসলে কে, আপনারাই বুঝে নেন।”
প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ২৮ জানুয়ারি শিল্পী সমিতির ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পরদিন প্রাথমিক ফলাফলে জায়েদ খানকে সাধারণ সম্পাদক হিসেবে জয়ী ঘোষণা করা হয়।
পরে নির্বাচনী আপিল বোর্ডের কাছে এ নিয়ে লিখিত অভিযোগ করেন নিপুণ। এরপর থেকে সাধারণ সম্পাদক পদটি নিয়ে জটিলতা শুরু হয়। মামলা হাইকোর্ট পর্যন্ত গড়ায়। পদটি নিয়ে আদালত এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেননি।
