বাংলাদেশের চলচ্চিত্রের ইতিহাস দীর্ঘ ও গৌরবের। এক সময় দেশের ১৩শ সিনেমা হলে প্রতি সপ্তাহে একাধিক সিনেমা মুক্তি পেত। প্রেক্ষাগৃহে সিনেমা দেখতে দর্শকের দীর্ঘ সারি দেখা যেত। এসব এখন সোনালী অতীত। চলচ্চিত্রের মন্দা অবস্থায় দিনে দিনে সিনেমা নির্মাণ তলানীতে গিয়ে ঠেকেছে। প্রেক্ষাগৃহের সংখ্যা কমে এখন প্রায় ২শ।
তবে দীর্ঘদিন পরে প্রেক্ষাগৃহে দর্শকের ভিড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। এর শুরু ঈদে মুক্তি পাওয়া ‘পরাণ’ সিনেমা দিয়ে। এই সিনেমাটি চলচ্চিত্র শিল্পের হাওয়া বদলে দিয়েছে। স্বল্প বাজেটের এই সিনেমাটি পঞ্চম সপ্তাহেও দর্শক পেয়েছে। বর্তমানে ৪৮টি হলে প্রদর্শিত হচ্ছে সিনেমাটি।
সিনেমাটির এমন ব্যবসায় খুশি প্রযোজক তামজিদ অতুল। ইতোপূর্বে তিনি জানিয়েছিলেন, প্রত্যাশিত সেল হলে পরাণ সিনেমার আয় দিয়ে আরও পাঁচটি সিনেমা বানানো যাবে। এবার তিনি আরও একটি পরিকল্পনার কথা জানালেন।
তামজিদ অতুল বলেন, ‘পরাণের সেল আরও বাড়ছে ডে বাই ডে (দিনে দিনে)। পরাণের এই সফলতায় আমরা ইন্সপায়ার্ড হয়ে প্রত্যেক বছর লাইভ টেকনোলজিস প্রযোজিত দুইটা সিনেমা রিলিজ দেব থিয়েটারে।’
পরিকল্পনার বিস্তারিত এখনও জানাননি অতুল। তিনি এখনও ব্যস্ত পরাণের ব্যবসা নিয়ে। সিনেমাটি বিদেশে প্রদর্শনের কথা রয়েছে।
পরাণ সিনেমার প্রদর্শক জাহিদ হাসান অভি জানান, ৫ম সপ্তাহে এসেও সিনেমাটি দেশের ৪৮ প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শিত হওয়াটাকে খুবই আনন্দের। শিগগিরই সিনেমাটি দেশের বাইরে যাবে। আর সিনেপ্লেক্সে এখনও টিকিট ক্রাইসিস বলে জানান তিনি।
