দিলারা হানিফ পূর্ণিমা ফের বিয়ে করেছেন বলে খবর আসে বৃহস্পতিবার (২১ জুলাই)। প্রায় দুই মাস আগে বিয়ে করেছেন নায়িকা। পাত্র আশফাকুর রহমান রবিন পেশায় একটি বহুজাতিক কোম্পানির মার্কেটিং বিভাগের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা। দুই পরিবারের সম্মতিতেই বিয়ে হয়েছে তাদের।
গত ২৭ মে আশফাকুর রহমান রবিনের সঙ্গে বিয়ের পর থেকে রাজধানীর একটি অভিজাত এলাকায় বসবাস করছেন পূর্ণিমা।
এর আগে ২০০৭ সালের ৪ নভেম্বর আহমেদ জামাল ফাহাদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন পূর্ণিমা। ২০১৪ সালে কন্যাসন্তানের মা হন তিনি। জানা যায়, বছর তিনেক আগে বিচ্ছেদ হয় তাদের। কিন্তু কি কারণে বিচ্ছেদ হয়েছে তা কখনো জানাননি অভিনেত্রী। আর কেনোই বা এতদিন সেই বিচ্ছেদের খবর গোপন রেখেছিলেন তাও অজানা। তবে এসব প্রশ্ন ঠিকই থেকে যায়।
অবশেষে এসব প্রশ্নের উত্তর জানিয়েছেন নায়িকা নিজেই। তিনি জানান, ফাহাদের সঙ্গে তার ডিভোর্স হয়েছে তিন বছর আগে। দীর্ঘ ১২ বছরের সংসারজীবনে কোনোভাবে দুজনের মধ্যে বোঝাপড়া হয়ে ওঠেনি।
পূর্ণিমা বলেন, ‘যেটা শেষ হয়ে গেছে সেটা নিয়ে মানুষের বেশি বেশি কৌতূহল থাকে। কেন শেষ হলো? কী হলো, না হলো। আসলে ওগুলো নিয়ে বলতে চাই না। কারণ ওটা তো অনেক বছরের সম্পর্ক। প্রায় ১২ বছর সম্পর্ক ছিল। এত বছর ধরে চেষ্টা করে গেছি। কোনোভাবে মনের মিল, বোঝাপড়া যেটা থাকে না ওটা হয়নি। অনেক চেষ্টা করেও যখন আর পারছিলাম না, তখন না পারতে চুপচাপ সরে এসেছি।’
বিচ্ছেদের খবর গোপন রাখার বিষয়ে পূর্ণিমা জানিয়েছেন, প্রায় তিন বছর ধরে সম্পর্ক ভালো নেই ফাহাদের সঙ্গে। আমার একটি মেয়ে আছে। তিনি মেয়ের বাবা। মেয়ে স্কুলে পড়ালেখা করে। সব মিলিয়ে ওভাবে কোনো কিছু জানাতে চাইনি আমরা। যেন মেয়ের উপর এর কোনো প্রভাব না পড়ে। আর নতুন সম্পর্কটি আমার মেয়েও ভালোভাবে গ্রহণ করেছে।
সম্পর্ক শেষ হয়ে গেলেও সাবেক স্বামীর মঙ্গল কামনা করছেন এই চিত্রনায়িকা। তিনি বলেন, ‘আমি কখনো আসলে কারো খারাপ চাই না। কখনো কারো লাইফ নষ্ট হোক সেটাও চাই না।’
এর আগে সাবেক স্ত্রীর বিয়ের খবর শুনে তাকে শুভ কামনা জানিয়েছিলেন ফাহাদ। আহমেদ ফাহাদ জামাল ফেসবুকে পূর্ণিমার নতুন জীবনের প্রতি শুভ কামনা জানিয়ে বলেন, ‘তার জন্য শুভ কামনা, আমার মেয়ের জন্য সব সময় দোয়া রাখবেন।’
