দেশের ৪০টি হলে মুক্তি পেয়েছে অনন্য মামুন পরিচালিত ‘অমানুষ’। সিনেমায় বিশেষ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন কাজী নওশাবা। ‘ডাকাত’ চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। সিনেমাটিতে তার ভিন্ন অবয়ব নজর কেড়েছে দর্শকদের।
গ্ল্যামারহীন এমন একটি চরিত্রে অভিনয় করা কঠিন ছিল কিনা? এই অভিনেত্রীর উত্তর হ্যাঁ। অবশ্যই কঠিন ছিল। কারণ গ্ল্যামার না থাকা মানে আপনি যে দর্শককে আকৃষ্ট করবেন সেটার একটি হাতিয়ার তো কমে গেল। বিগ স্ক্রিনে মানুষ টাকা দিয়ে সিনেমা দেখে। তারা দেখতে চান সুন্দর চেহারা, ভালো নাচ-গান, ভালো লোকেশন ও সম্পর্কের গল্প।
তবে কমার্শিয়াল সিনেমা মানে শুধু রং-চং না, ভালো অভিনয় করারও সুযোগ আছে। সেই চেষ্টাটাই আমি করছি. এটা আমার জন্য একটা বড় চ্যালেঞ্জ। আশা করবো আপনারা আমাকে উৎসাহিত করবেন এবং পাশে থাকবেন। তাহলে সব চ্যালেঞ্জ অতিক্রম করতে পারবো।
অতীতে একটা কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন। অনেকদিন কাজের বাইরেও ছিলেন। এখন আবার কাজে পুরোদমে ব্যস্ত। কেমন উপভোগ করছেন সময়টা?
নওশাবা বলেন, এই মুহূর্তে ভীষণ উচ্ছ্বসিত। পেছনে কী হয়েছে সেটা সকলেরই জানা। আমি সেই বৃত্তটা পার করে এসেছি এবং চাচ্ছি আমার এই জায়গাটাকে পাকাপোক্ত করতে। ‘ঢাকা অ্যাটাক’র পর যে চরিত্রগুলো পাচ্ছিলাম সেগুলো প্রায় একই রকম। তবে আমি নিজেকে ভাঙতে চেয়েছি। সেজন্য অনেকদিন অপেক্ষা করেছি। ‘অমানুষ’ সিনেমাটা মুক্তি পেয়েছে। এখন আশা করি, পরিচালকরা বুঝতে পারবেন আমাকে দিয়ে রিস্ক নেয়া যায় এবং যেকোনো চরিত্র দিলে কঠোর পরিশ্রম করতে পারি।
পরিচালকরা কি এতদিন বুঝতে পারেনি আপনাকে? নওশাবার উত্তর আসলে কাজ করতে গিয়ে পরিচালকদের কাছে অসংখ্যবার ঠকেছি। তবে প্রতিবার উঠে দাঁড়িয়েছি। আমাকে আঘাত দিতে থাকুক। এখন আর কোনো অসুবিধা নেই। কারণ আমি উঠে দাঁড়ানো শিখে গেছি। আমার দর্শক আমার পাশে আছে।
