এখনই বিয়ে করতে মন চাচ্ছে না: দীঘি

শিশুশিল্পী হিসেবে সিনেমায় অভিনয় শুরু করেছিলেন প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। দারুণ অভিনয়ে জয় করেছিলেন দেশবাসীর মন। পেয়েছিলেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। ছোট থেকে বড় হয়ে দীঘি এখন নায়িকা। সম্প্রতি ওটিটিতে মুক্তি পেয়েছে তাঁর অভিনীত ওয়েব ছবি ‘শেষ চিঠি’। ওয়েব ছবি ও অন্যান্য প্রসঙ্গে কথা হলো তাঁর সঙ্গে-

‘শেষ চিঠি’ নামে ওয়েব ছবি সম্প্রতি প্রকাশ পেয়েছে। প্রকাশের আগে নাকি টেনশনে ঘুমাতে পারছিলেন না?

সত্যিই খুব টেনশন হচ্ছিল। নতুন কাজ নিয়ে দর্শকের সামনে আসা মানেইতো নতুন পরীক্ষা। দর্শক কীভাবে কাজটি নেবেন, তাঁদের ভালো লাগবে কিনা, এসব নিয়েই টেনশন। এর ওপর ওটিটিতে আমার প্রথম কাজ, এই নিয়ে ভীষণ চিন্তা ছিল।

ওয়েব ছবিটি প্রকাশের পর কেমন লাগছে?

প্রথম ওয়েব ছবি বলেই টেনশনে ছিলাম। সেই টেনশন কেটে গেছে দর্শক সাড়া পাওয়ায়। অনেকেই কাজটি দেখে সমাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লিখেছেন, আমাকে ভালো লাগার বিষয়টি জানাচ্ছেন। কেউ কেউ কোথায় ভুল হয়েছে সেটাও ধরিয়ে দিয়েছেন। কাজটি নিয়ে এত মানুষের আগ্রহ দেখে আমারও প্রত্যাশা বেড়ে গেছে। সব মিলিয়ে এখন আমি খুশি। খুবই খুশি।

আপনার প্রথম ছবিটিতে নায়কের বউয়ের চরিত্র, এই ওয়েব ছবিতেও বউয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন…

এটা কাকতালীয় বলতে পারেন। শেষ চিঠিতে একটি মেয়ের বিয়ের পর স্বামীর সঙ্গে তাঁর যে ধরনের সম্পর্ক, জটিলতা, সংগ্রাম দেখা দেয় তা দেখানো হয়েছে। নির্মাতা সুমন ধর গল্পটি বলার পরই মনে হয়েছে এখানে আমার অভিনয় করার জায়গা রয়েছে, তাই করেছি। তবে শুধু বউ না, গল্পের প্রয়োজনে যে কোনো ভালো চরিত্রে অভিনয় করতে আগ্রহী আমি।

আপনি একবার বলেছিলেন, বউ সাজতে আপনার বেশি ভালো লাগে…

আসলে আমাকে দিয়ে ব্রাইডাল শুট বেশি করানো হয়। তাই ব্রাইডাল শুট করতে করতে বউ সাজার প্রতি এক ধরনের ভালো লাগা তৈরি হয়েছে। এই আরকি!

এত বউ সাজেন, বিয়ে করতে মন চায় না?

এ নিয়ে আটটা লুকে বউ সেজে ফেলেছি। বউ সাজতে আমাকে কেমন লাগবে মোটামুটি বুঝে ফেলেছি। এ জন্য বিয়ে করতে মন চাচ্ছে না। বিয়ে ছাড়াই তো সাজতে পারি [হাসি]।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *