মনিরা মিঠু। অভিনয়ের পথচলায় দীর্ঘ দেড় যুগেরও বেশি সময় অতিক্রম করেছেন তিনি। ভিন্ন ধরণের চরিত্রে নিজেকে প্রকাশিত করে ধীরে ধীরে শোবিজ অঙ্গনে আলাদা একটি অবস্থান তৈরি করে নিয়েছেন এই তারকা। একজন জাত অভিনেত্রী যাকে বলে, তা তিনি পরিণত করেছেন দক্ষতার মাপকাঠিতে।
বরবারের মতো এবারের রোজার ঈদ উপলক্ষে প্রকাশিত তার বেশ কিছু খণ্ড নাটক দর্শক প্রশংসা কুড়াচ্ছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে ‘নসিব’, ‘ঘর শ্বাশুড়ি’, ‘নয়া লায়লা নয়া মজনু’, ‘লিলুয়া’।
ঈদের নাটকগুলো নিয়ে কী বলবেন? মনিরা মিঠু বলেন, ঈদে আমার খুব বেশি নাটক আসেনি। তবে যেগুলো দেখা যাচ্ছে সেগুলোর গল্প ও আমার চরিত্র ভিন্নধর্মী। রেসপন্সও ভালো পাচ্ছি তাই।
অভিনয়ের কারিশমা দেখিয়ে প্রতিনিয়ত দর্শক মাতাচ্ছেন। আপনার এই সফলতার পেছনের রহস্য কী? এই অভিনেত্রীর উত্তর- আপনারা সবাই জানেন আমার প্রয়াত বড় ভাই অভিনেতা চ্যালেঞ্জারের হাত ধরে নাটকের জগতে আসি। আজকের এই সফলতা ভাইজানের জন্যেই।
আমার যখন মাত্র ৯ মাস বয়স তখন মাকে হারাই। এরপর উনিই আমাকে বড় করেছেন। আমি প্রায়ই অনুভব করি ওনাকে। আমার ৫০ শতাংশ সাফল্য দেখে যেতে পেরেছেন তিনি। আজ উনি বেঁচে থাকলে শিশুর মতো খুশি হতেন। কারণ ২০০৮ সালে আমি যখন মেরিল প্রথম আলো পুরস্কার পাই তখনই শিশুর মতো আনন্দ করেছিলেন।
দুই দশকের বেশি সময় ধরে শোবিজ অঙ্গনে কাজ করছেন। কোনো অতৃপ্তি আছে কী? মনিরা মিঠু বলেন, আমি স্বপ্ন ছাড়া মানুষ। আমাকে অভিনয় করে ঐ পর্যায়ে পৌঁছাতে হবে, ঐ সম্মাননাটা পেতে হবে এমন কোনো স্বপ্ন আমার নেই। আর খুব অল্পতেই তৃপ্ত থাকি। অল্পতেই খুশি হয়ে যাই।
তিনি বলেন, আমার স্বপ্ন বর্তমান নিয়ে। চলতি কাজটা যাতে গুছিয়ে করতে পারি সেই দিকটায় শুধু খেয়াল রাখি। যতদিন অভিনয় করবো আল্লাহ যেন সুস্থ রাখে। দর্শকের যে ভালোবাসা পাচ্ছি, এই ভালোবাসাটা থেকে যাতে ছিটকে না পড়ি। এটাই চাওয়া।
