বৈশাখী উপহার ও ইফতারের আমন্ত্রণ না পেয়ে মুনমুনের ক্ষোভ

বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিকে নিয়ে বিতর্ক থামছেই না। একের পর এক সমালোচনার জন্ম দিচ্ছে নতুন কমিটি। যার শুরু নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে।

সম্প্রতি পহেলা বৈশাখ ঘিরে নতুন বিতর্কে জড়িয়েছে শিল্পী সমিতি। আগের কমিটি প্রতি ঈদ ও নানা উৎসবে শিল্পীদের ফোন করে তাদের বাসায় উপহার পাঠিয়ে দিতেন। কিন্তু এবার হয়েছে তার উল্টো।

অভিযোগ উঠেছে, নির্দিষ্ট কিছু শিল্পী ব্যতীত অনেককেই দেয়া হয়নি বৈশাখী উপহার। যা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন কোনো কোনো সাধারণ সদস্য। তাদের মধ্যে একজন হচ্ছেন চিত্রনায়িকা মুনমুন।

এ প্রসঙ্গে মুনমুনের ভাষ্যে, নির্বাচনের দিন থেকেই একটি প্যানেল আমাকে নানাভাবে ছোট করে আসছে। আমার এত দিনের ক্যারিয়ারে দাগ দিয়েছে। সেসব না হয় বাদই দিলাম। আমিতো আজকের শিল্পী না। আমাকে কেনো ইফতার কিংবা বৈশাখী উপহার দেয়া হবে না। আমরা তো উপহারের জন্য বসে থাকি না, আমরা চাই সম্মান। হয়তো এই ছোট বিষয়গুলো নিজেদের কাছেই আমাদের সম্মান বাড়িয়ে দেয়। আগের কমিটির জায়েদ খান কোন উৎসব আসলেই ফোন করে বার বার খোঁজ নিতো উপহার পেয়েছি কিনা? কিছু লাগবে কিনা আরও? শিল্পী হিসেবে তো আমরা এতটুকুই আন্তরিকতা চাই।

এদিকে নায়িকা তানিন সুবাহও সমিতির কর্মকাণ্ডে ক্ষোভ প্রকাশ করতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, ‘শিল্পী সমিতি নিয়ে কিছু কথা আজ না বললেই নয়। আমরা শিল্পী সমিতির সদস্য হওয়ার পর থেকেই বিভিন্ন উৎসবে বিভিন্ন উপহার পেয়েছি। যা সমিতি থেকে কল করে বাসায় উপহার পাঠিয়েছে সঠিক সময়ে। কিন্তু বর্তমান কমিটি আসার পর নানা ধরণের বিতর্ক দেখা দিয়েছে।

আমার কথাই যদি বলি তা হলে বলবো- এবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের আমন্ত্রণ পত্র, বৈশাখী উপহার ও ইফতারের দাওয়াতও দেওয়া হয়নি। আপনারা আপনাদের কাছের নির্দিষ্ট কিছু শিল্পীদের উপহার দিয়ে ফেসবুকে ঢালাওভাবে শো অফ করছেন। তাহলে আমরা কী? আমরা কি শিল্পী না? দায়িত্ব না নিতে পারলে চেয়ারে বসেন কেন?

শিল্পীদের সম্মান অক্ষুন্ন রাখবেন বলে স্লোগান দিয়েছেন। দেখতে পারছি তার নমুনা। আমরা উপহার কিংবা দাওয়াতের জন্য বসে নেই, কিন্তু আপনারা শিল্পীদের কতটুকু সম্মান দিচ্ছেন?’

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *