আমি স্বামীর সঙ্গে সুখী না, বিষয়টি ঠিক নয়: ন্যান্সি

জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যানসি সম্প্রতি একটি স্ট্যাটাস দেন। যেখানে তুলে ধরেন নতুন সংসারের কিছু জটিলতার কথা। গত বছরের সেপ্টেম্বরে গীতিকার মহসীন মেহেদীকে বিয়ে করেন গায়িকা। দু’জনেরই আগে বিয়ে হয়েছে, সন্তানও আছে। এদিকে নতুন সংসারেও অন্তঃসত্ত্বা গায়িকা।

সন্তান ও পরিবার নিয়েই বিভিন্ন জটিল পরিস্থিতির মধ্যে পড়ছেন ন্যানসি। স্ট্যাটাসে তিনি জানান, স্বস্তি খুঁজতে গিয়ে তিনি যেন অশান্তিকে দাওয়াত দিয়ে নিয়ে এসেছেন। বিয়েটা না করলেই প্রাণে না হলেও জানে বেঁচে থাকতেন।

ওই স্ট্যাটাস নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। এর ফাঁকেই স্ট্যাটাসটি মুছে দেন ন্যানসি। শুধু তাই নয়, স্বামী মেহেদীকে নিয়ে ছুটে গেলেন হানিমুনে। বিয়ের সাত মাস পর তারা মধুচন্দ্রিমার জন্য কক্সবাজারে গেছেন।

শনিবার (১৯ মার্চ) রাতে স্বামীসহ ফেসবুক লাইভে আসেন ন্যানসি। সেখানে তিনি মুছে ফেলা স্ট্যাটাসের বক্তব্যের ব্যাখ্যাও দেন। আইয়ুব বাচ্চুর জনপ্রিয় গান ‘সুখেরই পৃথিবী, সুখেরই অভিনয়, যতই আড়ালে রাখো, আসলে কেউ সুখী নয়’-এর কথা উল্লেখ করে ন্যানসি বলেন, ‘আসলে কেউ সুখী না। নারী জীবনের চড়াই-উতরাইয়ের বিষয়টি আমার লেখায় ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করেছি। আমি আমার স্বামীর সঙ্গে সুখী না, বিষয়টি তা ঠিক নয়।’

মহসীন মেহেদীও দর্শকদের উদ্দেশ্যে কিছু কথা বলেন। অনুসারীদের সভ্য হতে বলেন তিনি। অযথা যারা নেতিবাচক মন্তব্য, সমালোচনা করে, তাদেরকে এগুলো থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছেন এই গীতিকার।

এদিন ন্যান্সি বলেন, আমরা তো একদম দুজন কোথাও যাইনি, তাই না? কদিনব আগে রাজশাহী গেলাম, সেখানে আত্মীয় স্বজন পরিবেষ্টিত ছিল। তবে এই যে এখানে একেবারে আমরা দুজন…’

ভক্তদের ফেসবুক লাইভে রেখে মোমের আলোয় দুজন কথা বলছিলেন। সমুদ্র থেকে ছুটে আসছিল ঝিরঝিরে বাতাস। ন্যান্সি ও মেহেদী দুজনই একান্তে সময় কাটাতে গিয়ে ভক্তদেরও নিজেদের সঙ্গী করে নিয়েছিলেন।

ন্যান্সি ২০০৬ সালে ব্যবসায়ী আবু সাঈদ সৌরভকে ভালোবেসে বিয়ে করেন। দীর্ঘ ৬ বছর সংসার জীবনের ইতি টানেন ২০১২ সালে। সেই সংসারে রয়েছে এক মেয়ে। নাম রোদেলা। ২য় বিয়ে করেন ২০১৩ সালের ৪ মার্চ। কিন্তু ২০২১ সালের এপ্রিলে গায়িকা জানান জায়েদের সঙ্গে একসঙ্গে থাকছেন না তিনি। একই বছরে গীতিকার মহসীন মেহেদীকে বিয়ে করেন ন্যানসি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *