ঢাকাই সিনেমার এ প্রজন্মের নায়ক জয় চৌধুরী। অপু বিশ্বাসের বিপরীতে অভিনয় করছেন ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ সিনেমায়। মিজানুর রহমান লেবুর পরিচালনায় চলছে সিনেমার কাজ।
বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক জয়। এর আগে সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য পদে ছিলেন। মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে জয় লাভ করেছিলেন তিনি।
সমিতি নাকি সিনেমা? এমন প্রশ্নের উত্তরে জয় চৌধুরী বলেন, ‘আমার মূল লক্ষ্য সিনেমা। সমিতি করার জন্য চলচ্চিত্রে আসিনি। সমিতিতে কাজ করতে গেলে সিনেমার কাজে ব্যাঘাত ঘটে। গত দুই বছরে সেটি বুঝতে পেরেছি। এখন আমার মূল ফোকাস চলচ্চিত্র। কাজকে ফোকাস করতে চাই, কাজে লেগে থাকতে চাই।’
গেল ২৮ জানুয়ারির নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন এ অভিনেতা। তাদের প্যানেল থেকে জয়ী বেশ কয়েকজন শপথ নিলেও জয় এখনো শপথ নেননি। বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে জয় চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের গঠনতন্ত্রে কোথাও লেখা নাই, শপথ গ্রহণ করতে হবে। এখন নিয়ম হয়ে গেছে পাস করার পর শপথ নিতে হবে। প্রয়োজন মনে হয়, তাহলে শপথ করব। না হলে নাও করতে পারি।’
নির্বাচনে অংশ নেওয়ার পর থেকে একের পর এক অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা তার সঙ্গে ঘটছে বলে দাবি করলেন এই অভিনেতা। জয় বলেন, ‘নির্বাচনের আগে থেকেই এমন ঘটনা ঘটছে।
মিশা সওদাগর ভাই, জায়েদ খান ভাইয়ের ফেসবুকে আক্রমণ হয় শুরুতে। পরে আমিও ভুক্তভোগী হই। কিন্তু নির্বাচনে জয়ী হওয়ার পর থেকে অনলাইনে নানাভাবে আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি। আমি জয়ী হয়েছি এটা একটি চক্র মেনে নিতে পারছে না। মিশা সওদাগর ভাই ও জায়েদ ভাইয়ের পর এবার আমার ফেসবুক আইডি নিষ্ক্রিয় করে দিয়েছিল কাল ৷ যারা এই কাজ করেছে আমি তাদের চিহ্নিত করেছি। শিগিগরই তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব।’
জয় আরো বলেন, কাল ফেসবুক আইডি নিষ্ক্রিয় হওয়ার পর ইউটিউবে বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে গালাগাল করা হচ্ছে।
আইডি ফেরত পাওয়ার পর বুধবার রাতে ফেসবুকে একটি পোস্ট দেন জয়। যেখানে তিনি দাবি করেন, মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর থেকে তাকে নিয়ে নানা ষড়যন্ত্র হচ্ছে, ‘আমি কতটা খারাপ বা ভালো ছেলে চলচ্চিত্র ইন্ডাস্ট্রির মানুষ জানে! আমার অপরাধ একটাই আমি মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে দাঁড়িয়ে কেন জয়লাভ করলাম? আমার আইডিতে একশরও বেশি রিপোর্ট করা হয়েছে৷ ভাগ্যক্রম সাইবার স্পেশালিস্ট এক বড় ভাইয়ের মাধ্যমে সন্ধ্যার পর নিজের অ্যাকাউন্টে ঢুকতে পেরেছি!’
