চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনের রেশ এখনো কাটেনি। গত ২৮ জানুয়ারি চলচ্চিত্র শিল্পীদের দ্বিবার্ষিক নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সাধারণ সম্পাদক পদের দ্বন্দ্বে দুই প্রার্থী এখন উচ্চ আদালতে। ২২ ফেব্রুয়ারি যার শুনানি হবে আদালতে।
নির্বাচনে কার্যনির্বাহী সদস্য প্রার্থী হয়ে জয় লাভ করেন অভিনেত্রী রোজিনা। তবে ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে কার্যনির্বাহী সদস্যপদ থেকে অব্যাহতি নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। অভিমান ভেঙে সমিতির পদে ফিরছেন মিশা-জায়েদ প্যানেলের রোজিনা।
তিনি বলেন, ‘আমি একজন শিল্পী। সামান্য একটা পদ নিয়ে মামলা পর্যন্ত হলো। এটা আমার পুরো অভিনয়জীবনে দেখিনি। পরবর্তী সময়ে ডিপজল, আলীরাজ ভাইসহ কয়েকজন শিল্পী আমাকে বুঝিয়েছেন। তাই পদত্যাগের সিদ্ধান্ত থেকে সরে এসেছি।’ এমনকি নায়ক রুবেল পদত্যাগের কথা ভাবলেও সেই সিদ্ধান্ত থেকে পিছিয়ে এসেছেন বলে জানান তাঁদের প্যানেলের নির্বাচিত জয় চৌধুরী।
অন্যদিকে, আজ শপথ নেবেন ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের মামনুন ইমন। সংস্কৃতি ও ক্রীড়া সম্পাদক হিসেবে শপথ নেবেন তিনি। পেশাগত ও পারিবারিক কাজে এই চিত্রনায়ক এত দিন শপথ নিতে পারেননি।
ইমন বলেন, ‘নির্বাচনের আগ দিয়ে সব কাজ বন্ধ রেখে এফডিসিতে টানা সময় দিয়েছিলাম। সেই কাজগুলোর শিডিউল ভোটের পর দিতে হয়েছে। তাই টানা কাজ করেছি। এরমধ্যে পারিবারিক অনুষ্ঠানে আমাকে ঢাকার বাইরেও যেতে হয়েছিল। সবমিলিয়ে খুবই ব্যস্ত ছিলাম। তবে সুখের কথা আজ শপথ নিয়েই একুশের প্রহরে ভাষা শহীদের শ্রদ্ধা জানাতে যাবো।’
সাধারণ সম্পাদক পদে জায়েদ ও নিপুণের দ্বন্দ্ব এবং আইনি লড়াইয়ের মধ্যেই ১৬ ফেব্রুয়ারি শপথ নেন অঞ্জনা। যেহেতু তিনি মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে নির্বাচিত হয়েছেন, সেহেতু তার এই শপথের মধ্য দিয়ে শিল্পী সমিতির নির্বাচন নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি নতুন মোড় নেয়। বিষয়টি নিয়ে নিজ প্যানেলের বিজয়ীদের কাছে কিছুটা সমালোচিতও হন।
তবে এ প্রসঙ্গে অঞ্জনা সুলতানা বলেন, ‘আমি অলরেডি শপথ নিয়েছি। আবার নতুন করে নেয়ার সুযোগ নেই। হ্যাঁ, ওরা যখন শপথ নেবে তখন ওদের সঙ্গে আমিও থাকবো। কারণ আমি তো আর আমার প্যানেল থেকে সরে আসিনি। এখনও মিশা-জায়েদের প্যানেলের সিদ্ধান্তের সঙ্গে আছি।’
