আলোচিত বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদ নিয়ে চলছে বিস্তর আলোচনা সমালোচনা। বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
আদালতের রায় যার পক্ষেই যাক না কেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিপুণের পক্ষেই যেন সাধারণ মানুষের রায়। অন্তত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিপুণের পক্ষেই সাফাই গাইছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে জায়েদ খানকে করা হচ্ছে তুলোধুনো।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের এমন বিষয়গুলো নজরে এসেছে জায়েদ খানেরও। তবে তিনি বলছেন, ‘জনগণ না চাইলেও শিল্পীরা আমাকেই চায়।’
জায়েদ বলেন, ‘শিল্পীরা চায় বলে তারা আমাকে পর পর তিনবার নির্বাচিত করেছেন। শিল্পী সমিতির জন্য এখানকার ভোটাররা যাকে চাইবে তাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এখানে দেশের মানুষ কী চায় বা না চায় তাতে কিছু আসে যায় না। কারণ আমিতো আসলে প্রতিনিধিত্ব করছি শিল্পীদের।’
তিনি বলেন, ‘জনগণ না থাকলে আমি আজ জায়েদ খান হতাম না। একজন মান্না তৈরি হতো না। তাই শিল্পী হিসেবে বলবো দর্শকরা আমাদের সম্পদ এবং তাদের ভালোবাসা হচ্ছে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি। তবে শিল্পীরা বিপদেআপদে আমাকে পাশে পায় বলেই তারা আমাকে চায়। সাধারণ মানুষকেও এ বিষয়টি বুঝতে হবে।’
মঙ্গলবার রাতে বিজয়নগরে জায়েদ খানের আইনজীবীর অফিসে তিনি গণমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘এখন এফডিসিতে যা হচ্ছে এতে করে মানুষ হাসছে। আমাদেরকে হেয় করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবে কাম্য নয়।’
তিনি বলেন, মামলা আমি করেছি, উনি (নিপুন) করেননি। সুতরাং তার মামলা তুলে নেয়ার কিছু নেই। এই মামলা এভাবেই চলতে থাকবে। তার মামলা তুলে নেয়ার কোনো সম্পর্ক নেই।
এদিকে নিপুনের সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসা নিয়ে জায়েদের আইনজীবী বলেন, এই পদে এখন কেউ বসতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন আদালত। সেখানে কেউ যদি গিয়ে বসে পড়ে তাহলে সেটি আদালত অবমাননা হবে।
