চলচ্চিত্রের শিল্পী সমিতির নির্বাচকে ঘিরে জল কম ঘোলা হয়নি। ‘টক অব দ্য’ কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে চিত্রনায়ক জায়েদ খান ও চিত্রনায়িকা নিপুণের দ্বন্দ্ব। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের পদ নিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তারা।
জায়েদ খান নাকি নিপুণ, কে বসতে যাচ্ছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে? গত ৯ ফেব্রুয়ারি সেই রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক পদে দায়িত্ব পালনের ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেছেন আদালত।
যে চেয়ার নিয়ে এই দ্বন্দ্ব, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়া পর্যন্ত ফাঁকাই পড়ে থাকবে তা। এতে বসার আইনি স্বীকৃতি মিললে তবেই পদক্ষেপ নেয়া যাবে। তবে এমন প্রেক্ষাপটেই বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সমিতির সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসে বিতর্কে জড়িয়েছেন অভিনেত্রী নিপুণ আক্তার।
নানা নাটকীয়তার পর বুধবার হাইকোর্ট আদেশ দেয় চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে সাধারণ সম্পাদক পদে ১৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত কেউ থাকছেন না। এদিন এফডিসিতে নিপুণ বলেন, ‘চেয়ারে বসতে বাধা নেই, তবে শুনানির আগে আমি সাধারণ সম্পাদকের চেয়ারে বসতে চাচ্ছি না।’
এর এক দিন পরই বৃহস্পতিবার সেই চেয়ারে বসতে দেখা গেল তাকে। সকালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানোর কর্মসূচি ছিল কাঞ্চন-নিপুণ প্যানেলের। সেটি শেষ করে এফডিসিতে আসেন ইলিয়াস কাঞ্চন, নিপুণসহ অন্যরা।
বিকেলে চলচ্চিত্র মেকআপ ম্যানদের সংগঠনসহ অনেকেই ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণদের ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। এরপর হঠাৎ করেই সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিজের নেমপ্লেটসহ চেয়ারে বসে পড়েন নিপুণ। বেশ কিছু সময় সেখানে থাকেন তিনি।
এক দিন আগের ‘না’, এক দিন পরে ‘হ্যাঁ’ হয়ে যাওয়ায় তা নিয়ে সমালোচনা করছেন অনেকেই। এ বিষয়ে জানতে কয়েকবার নিপুণের মোবাইলে ফোন করা হলে তার নম্বরটি বন্ধ পাওয়া গেছে।
