বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচনে টানা তৃতীয়বারের মতো সাধারণ সম্পাদক পদে জয়লাভ করেছেন চিত্রনায়ক জায়েদ খান। শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) অনুষ্ঠিত ২০২২-২৪ মেয়াদের নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি নায়িকা নিপুণকে হারিয়ে বিজয় ছিনিয়ে নেন তিনি।
সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা হওয়ার পরেই গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে বসে কথা বলেন জায়েদ খান। সেই সময় নির্বাচনকে ঘিরে যা হয়েছে তার সঙ্গে ও সামনের দুই বছরে শিল্পীদের জন্য কি কি করতে চান তার কাজের পরিকল্পনা বলেন তিনি।
জায়েদ খান বলেন ‘গত দুইটা টার্মের বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন থেকে এ নির্বাচনটি বেশি কঠিন হয়েছে আমার কাছে। প্রথমত আমার মা চলে গিয়েছে কয়েকদিন আগে। আর দ্বিতীয়ত এইবার নির্বাচনে আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বিভিন্নভাবে আক্রমণ করা হয়েছে প্রচুর পরিমাণ। তার জন্য কোনো কষ্ট লাগছে না এখন। কোনো কিছু মনে হচ্ছে না। কেননা মুগ্ধ হয়েছি সুষ্ঠু নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন হয়েছে বলে।
তিনি আরও বলেন, আমি কৃতজ্ঞতা জানাই শিল্পীদের। যাদের ভোটে আমি তৃতীয়বারের মতো নির্বাচিত হয়েছি। আমি ভীষণভাবে মিস করছি আমার সভাপতি মিশা সওদাগরকে। যার সাথে আমি গত চার বছর কাজ করেছি। তিনি আমার গার্ডিয়ানের মধ্যে অন্যতম। তার সঙ্গে বোঝাপড়া চমৎকার। তার জন্য ভীষণ মন খারাপ লাগছে। আমার প্যানেলে যারা নির্বাচিত হতে পারে নাই তাদের জন্যও খারাপ লাগছে। তারা যদি পাস করতো তাহলে আরও ভালো কাজ করতে পারতাম। কেননা আমাদের একটা প্ল্যান ছিল।
বিজয়ীদের শুভ কামনা জানিয়ে জায়েদ বলেন, জয়ী যারা হয়েছেন তাদের জন্য শুভকামনা। যোগ্য যাদের মনে করছেন তাদের শিল্পীরা ভোট দিয়েছেন। সবার প্রতি আমার শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা। কাজ কারেছি বলেই তৃতীয়বারের মতো ভোট দিয়েছে শিল্পীরা। আশা করছি তাদের সম্মান রাখবো আমি। কাজ করতে গিয়ে কারো মনে কষ্ট দিয়ে থাকলে আমি ক্ষমা চাইছি।
উল্লেখ্য, শিল্পী সমিতির এই নির্বাচনে ভোটারের সংখ্যা ছিল ৪২৮ জন। এর মধ্যে ভোট দিয়েছেন ৩৬৫ জন। তাদের প্রদত্ত ভোটেই নতুন নেতৃত্ব এসেছে সংগঠনটিতে।
নির্বাচনী ফলাফলে দেখা যায়, ১৯১ ভোট পেয়ে সভাপতি পদে বিজয়ী হয়েছেন ইলিয়াস কাঞ্চন। তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর পেয়েছেন ১৪৮ ভোট। অন্যদিকে জায়েদের প্রতিদ্বন্দ্বী নিপুণ পেয়েছেন ১৬৩ ভোট।
