বিনোদন ডেস্ক- পূর্ণ সদস্যপদ হারানো ১৮৪ জন শিল্পীদের নিয়ে কথা বলতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন নায়ক রিয়াজ। গতকাল সন্ধ্যায় এফডিসিতে এমন দৃশ্য দেখা যায়। কিন্তু বিষয়টিকে ‘মায়া কান্না’ বলে মন্তব্য করেছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান।
ব্যাখ্যা করে জায়েদ খান বলেন, ‘এখন যা ইস্যু হচ্ছে বা কিছু হচ্ছে তা নির্বাচনকে কেন্দ্র করেই হচ্ছে। রিয়াজ ভাই মেকি কান্না কাঁদতেছেন, অথচ তিনিই ২০১৭ সালে সহযোগী যাচাই-বাছাই করেছেন আমাদের সঙ্গেই। তখন তিনি ভেটো দেননি। রিয়াজ ভাই আপনি সম্মানিত মানুষ, সম্মান নিয়েই আমাদের ওপর থাকেন। আপনাদের থেকে আমরা ভালো জিনিস শিখছি। আপনারা সিনিয়র, আপনাদের দেখানো পথেই আমরা হাঁটব। আমাদের খারাপ কিছু দেখলে আপনারা শাসন করবেন, কিন্তু দয়া করে নোংরামী করবেন না।’
জায়েদ খান আরও বলেন, ‘শিল্পীরা ভোট দেবেন, যদি তারা ভোট না দেন আমি মাথা নিচু করে চলে যাব। কিন্তু ভোটের আগেই যে নোংরামি শুরু হলো তা দুঃখজনক। আমি অবাক হয়ে গেছি যে, যে প্যানেলে কাঞ্চন ভাই, রিয়াজ ভাই, অমিত ভাইয়ের মতো সিনিয়র মানুষগুলো আছে তারা এই জিনিসগুলো দেখবে না!
রিয়াজ প্রসঙ্গে জায়েদ খান আবারও বলেন, সহযোগীদের সংখ্যা নিয়ে মামলা চলমান, কোর্টে বিচারাধীন। এটা নিয়ে কেন আন্দোলন হবে? এই ইস্যুতে যে রিয়াজ ভাই আজকে কাঁদলো, এটা দেখতে আমার খুব হাস্যকর লেগেছে। আপনি সিনিয়র মানুষ, অভিনয় করে কাঁদতেছেন কেন! কি দরকার ভাই আপনার? অথচ সহযোগী যাচাইয়ের ফর্মে কিন্তু ওনার স্বাক্ষর আছে, ওই ফাইলও আছে আমার কাছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৮ জানুয়ারি বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। এ নির্বাচনে লড়ছে দুটি প্যানেল, একটি ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ ও অন্যটি মিশা সওদাগর-জায়েদ খান। ইতোমধ্যে নির্বাচনকে ঘিরে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে ঝিমিয়েপড়া এফডিসিতে। প্রতিদিনই দুই প্যানেলের প্রার্থী, ভোটার, সাংবাদিকরা সেখানে যাচ্ছেন, সেখানে চলছে প্রচারণা।
