নজর২৪ ডেস্ক- ঢাকা-৫ আসনের উপ-নির্বাচনে ভোটগ্রহণ চলছে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে (ইভিএম)। সকাল ৯টায় এই ভোট শুরু হয়। তবে বেলা সাড়ে ১১টা পর্যন্ত বেশিরভাগ কেন্দ্রে ভোটার উপস্থিতি ছিল খুবই কম। কিছু কেন্দ্রে ভোটার নেই বললেই চলে। নির্বাচনী দায়িত্ব পালনকারীদের অলস সময় পার করতে দেখা গেছে এসব কেন্দ্রে।
শনিবার (১৭ অক্টোবর) যাত্রাবাড়ির আইডিয়াল হাই স্কুল এন্ড কলেজ, যাত্রাবাড়ী বর্ণমালা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজ, দনিয়া বিশ্ববিদ্যালয় কলেজ, ডগাইর দারুচ্ছুন্নাত ফাযিল মাদ্রাসা, মেট্রোপলিটন ক্রিয়েটিভ স্কুল অ্যান্ড কলেজসহ একাধিক কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে এমন চিত্র।
সরেজমিনে দেখা যায়, কেন্দ্রে কেন্দ্র ভোটারের উপস্থিতি একেবারেই কম। তবে কেন্দ্রগুলোর বাহিরে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর নেতাকর্মীদের ভিড় দেখা গেছে। কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে করে দেখা গেছে, ভোটার উপস্থিতি ও ভোট প্রয়োগের হার একেবারেই কম। ভোট কক্ষের ভেতর পোলিং অফিসাররা গল্পগুজব করে অলস সময় পার করছেন। নিরাপত্তায় নিয়োজিত আনসার সদস্যরা কেন্দ্রের সামনে বসে আড্ডা দিচ্ছেন।
যাত্রাবাড়ি ধলপুর কমিউনিটি সেন্টার ও আউটফল তেলেগু কমিউনিটি সেন্টার এই দুটো কেন্দ্রঘুরে কোনো ভোটার উপস্থিতি দেখা মিলেনি। আওয়ামী লীগ প্রার্থীদের এজেন্ট ও কর্মী দেখা গেলেও বিএনপির কাউকে দেখা যায়নি।
যাত্রাবাড়ির আইডিয়াল হাই স্কুল এন্ড কলেজে দুপর বারোটা পর্যন্ত গুটিকয়েক ভোটার লক্ষ্য করা গেছে। কেন্দ্রটির প্রিজাইডিং অফিসার হামিদুল ইসলাম বলেন, এখনো প্রত্যাশিত ভোটারদের লক্ষ্য করা যায়নি। হয়তো দুপরের পর ভোটার বাড়বে। কেন্দ্রটির মহিলা বুথের প্রিজাইডিং অফিসার মোতাহার হোসেন বলেন, অল্পসংখ্যপক ভোট পড়েছে। যেটাকে ভালো সংখ্যা ধরা যাবে না।
এখানে ভোট দিতে আসা নারী ভোটার আয়শা আক্তার বলেন, ভোট দিতে তেমন একটা সমস্যা হয়নি। কিন্তু কেউ তো ভোট দিতে আসছে না। এমন জানলে তো আসতাম না। আগে যেমন ভোট একটা উৎসব ছিল সেটা নেই।
এদিকে আরো কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে দেখা গেছে, আঙুলের ছাপ না মেলায় অনেকে ভোট দিতে পারছেন না। এমন একজন নারী ভোটার জয়া আরা, প্রায় আধাঘন্টা ধরে চেষ্টা করেও তিনি আইডিয়াল কলেজের কেন্দ্রটিতে ভোট দিতে পারেননি।
