আমি এখন গণ্ডার হয়ে গেছি : নুসরাত ফারিয়া

বিনোদন ডেস্ক- ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়ার গায়িকা পরিচয় অনেক আগেই পাওয়া গেছে। ২০১৮ সালে ভক্ত-অনুরাগীদের তাক লাগিয়ে ‘পটাকা’ শিরোনামের গান নিয়ে আসেন তিনি। সেই গানের কথায়, সুরে আর নাচে মেতেছিলেন দর্শকরা।

 

এর দুই বছর পর প্রকাশ পায় ফারিয়ার নতুন গান ‘আমি চাই থাকতে’। এই গানও বেশ সাড়া ফেলেছিল তার ভক্তদের মাঝে। সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে তার তৃতীয় একক মৌলিক গান ‘ইয়া হাবিবি’। প্রায় সাড়ে ৪ লাখ দর্শক একদিনেই সেই ভিডিও অনলাইনে দেখেছেন ।

 

গান নাকি অভিনয় কোনটা রয়েছে পছন্দের তালিকায়।

 

এ বিষয়ে নুসরাত ফারিয়া সংবাদমাধ্যমে বলেন, সিনেমা ততটাই গুরুত্বপূর্ণ যতোটা মিউজিক ভিডিও তে অভিনয় করা বা গান করা। আমি দুটোর মধ্যে কোনও ভাগ করি না। এখন কনটেন্টই শেষ কথা। ভালো কনটেন্ট হলে তা সিনেমা হোক বা মিউজিক ভিডিও দর্শক তা গ্রহণ করবেই।

 

‘ইয়া হাবিবি’ গান নিয়ে নুসরাত সংবাদ মাধ্যমে বলেন, হাবিবি প্রথমে একটা সফট রোমান্টিক গান ছিল। আমি আমার টিম এই গানের দুই কম্পোজার ও গীতিকার আদিব ও নুর নবিকে বলি এই গানটিকে ডান্স নম্বর বানাতে হবে। তারপর এটা নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়। আমি চাইনি যে গানটা তার সফটনেস হারিয়ে ফেলুক। সুর মাথায় রেখেই গানটা একটু পরিবর্তন করা হয়।

 

আমার বিশ্বাস ছিল যে এই গানটা দর্শক শ্রোতারা পছন্দ করবে। ভিডিওটার জন্য আমাকে অনেক ডায়েট করতে হয়েছে, কারণ লকডাউনে বাড়িতে বসে অনেক খেয়েছি। এরপর এই ভিডিওর জন্য অনেক ওয়ার্ক আউট করতে হয়েছে, তারই মাঝে আমার এলএলবির ফাইনাল ইয়ারের পরীক্ষা ছিল। পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরের দিনই হাবিবির শুট করেছি আমরা।

 

‘ইয়া হাবিনি’ গান প্রকাশের পর অনেকে গান নিয়ে প্রশংসা করেছেন আবার এক দল লোক ট্রল শুরু করে দিয়েছেন। ট্রলের প্রশংজ্ঞে নুসরাত ফারিয়া গণমাধ্যমে বলেন, আমার মনে হয়, ‘আমি গণ্ডার হয়ে গেছি। এখন আর কোনও ট্রোল গায়ে লাগে না। আমি আর পাত্তা দিই না।’

 

সেই সঙ্গে আরও বলেন, নিজের কাজ করে যাচ্ছি। আমি শুধু ভাবি যারা এই ট্রল করে তারা কতখানি বেকার। তবে আমি যখন ক্যারিয়ার শুরু করেছি তখন থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ার বিশাল প্রভাব। তাই এগুলো জেনে বুঝেই আমি কেরিয়ার শুরু করেছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *