বিনোদন ডেস্ক- ঢাকাই সিনেমার সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘গলুই’। গত (৩০ সেপ্টেম্বর) জামালপুরের যমুনার ধারে শুটিং হয়েছে এ সিনেমা শুটিং। এস এ হক অলিক পরিচালিত ‘গলুই’ এ শাকিব খানের বিপরীতে প্রথম অভিনয় করছেন পূজা। সেখানে শাকিব খানকে দেখতে আশপাশের গ্রাম থেকে আসা হাজার-হাজার মানুষের ঢল পড়ছে প্রতিদিনই। মানুষের ভিড় লেগে থাকে। টানা ২০ দিন শুটিং চলবে জামালপুরে।
নির্মাতা এস এ হক অলিক জানান,প্রতিদিনই শাকিব খানকে একনজর কাছ থেকে দেখবার জন্য জামালপুরের বিভিন্ন গ্রাম থেকে হাজার-হাজার মানুষ ছুটে আসছেন। যে তাদের চাহিদা মেটাতে লোকেশনে নানা জিনিসের দোকানপাট বসে গেছে। মনে হচ্ছে, নদীর পাড় ধরে যেন বড় হাট বসেছে। মানুষের ভিড় ঠেকাতে প্রশাসন সহযোগিতা করছে। শুটিংয়ে প্রতিদিনই প্রায় ৩০ জন পুলিশ সদস্য থাকছেন। এ ছাড়া প্রায় ৭০ জনের একটি স্বেচ্ছাসেবক দল কাজ করছে। তবে শুটিং করতে খুব বেশি সমস্যা হচ্ছে না।
গত ২৮ সেপ্টেম্বর থেকে চাঁদপুরে শুরু হয়েছে শাপলা মিডিয়ার নতুন সিনেমা ‘প্রিয়া রে’ শুটিং। তরুণ নির্মাতা পূজন মজুমদার পরিচালিত ‘প্রিয়া রে’ ছবিতে অভিনয় করছেন কলকাতার অভিনেত্রী কৌশানী মুখার্জী ও শান্ত খান। কলকাতার এই নায়িকাকে দেখার জন্য প্রতিদিন মানুষের ঢল নামে শুটিং এলাকায়। এছাড়া কলকাতার অভিনেতা রজতাভ দত্ত, খরাজ মুখার্জিকে দেখার জন্যও হাজার মানুষ ভিড় করে সেখানে।
নায়ক শান্ত খান জানান, চাঁদপুর আমার নিজ জেলা। সবাই পরিচিত, তবে শুটিং শুরু করে কিছুটা অবাক। সত্যি বলতে কি,প্রথমদিন কিছুটা বেগ পোয়াতে হয়েছে আমাদের। এত মানুষের ভিড়ে শুটিং কীভাবে শুটিং করবো এটা ভেবে।তবে কয়েকদিন যাওয়ার পর আর সমস্যা হচ্ছে না।এখন আমার মানুষের চাপ সামলিয়ে ভালো ভাবে শুটিং করতে পারছি।
অন্যদিকে অপু বিশ্বাস ও জয় চৌধুরী সম্প্রতি পাবনায় প্রেম প্রীতির বন্ধন সিনেমার শুটিং করতে গিয়েছিলেন। অর্ধেক কাজ না করে সেখান থেকে তারা গত (৪ অক্টোবর) ঢাকায় ফিরে এসেছেন। সিনেমার শুটিং হওয়ার কথা শুনে চারিদিক থেকে এতো মানুষ ভিড় করেছিল যে, শুটিং চালিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি।
পরিচালক সোলায়মান আলী লেবু গণমাধ্যমকে জানায়, ‘পাবনায় প্রেম প্রীতির বন্ধন সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্য ও গানের শুটিং করবেন বলে পরিকল্পনা করেছিলাম। মানুষের বাড়তি চাপে শুটিং শেষ না করে চলে আসতে হলো ঢাকায়।’
জয় চৌধুরী বলেন, পর্যাপ্ত পুলিশি সহায়তা ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও শুটিংয়ের পরিবেশ না থাকায় ক্যামেরা ক্লোজ করেই ফিরছি। কারণ, অপু বিশ্বাসকে এক নজর দেখার জন্য পুরো শুটিং ইউনিট ঘিরে ফেলে স্থানীয়রা। এতে স্বাভাবিকভাবে কাজ করা বিঘ্ন হয়ে পড়ে। আর পাবনায় যে কাজগুলো হওয়ার কথা ছিল তা ঢাকার আশপাশে মনোরম কোনো লোকেশনে করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
