‘ফখরুল সাহেব, শিষ্টাচার আমাদের শেখাতে আসবেন না : কাদের

নজর২৪, ঢাকা- খালেদা জিয়াকে নিয়ে আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক শিষ্টাচার বহির্ভূত বক্তব্য দিয়েছেন-বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাব দিয়েছেন ওবায়দুল কাদের। তিনি বলেছেন, শিষ্টাচার আমাদের শেখাতে আসবেন না।

 

মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউ আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ‘সিরিজ বোমা হামলা দিবস’ উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন। ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ আওয়ামী লীগ এ আলোচনা সভার আয়োজন করে।

 

কাদের বলেন, মির্জা ফখরুল সাহেব বলেছেন আমাদের নাকি রাজনীতির শিষ্টাচার ও সৌজন্যবোধ নেই। কারণ আমি বলেছি বেগম জিয়ার জন্মদিন ছয় দিন। তার কাছে জানতে চাই, একজন সাবেক প্রধানমন্ত্রীর ছয় দিন জন্মদিবস কেন? আগে ছিল পাঁচটা। সর্বশেষ করোনা পরীক্ষার সময় দেখলাম আরেকটা। ফখরুল সাহেব এ খানে শিষ্টাচার ও সৌজন্যতার বিরুদ্ধে কী করলাম? এসব জন্মদিবস আপনাদেরই সৃষ্টি। আওয়ামী লীগের সাজানো কিংবা বানানো কিছু নয়।

 

তিনি বলেন, এবারও জন্মদিবস পালন করেছেন। প্রতিশোধ ও প্রতিহিংসার মানসিকতা এখনও এখান থেকে সরে যায়নি। কেক কাটেননি, কিন্তু ফুলতো দিয়েছেন। মিলাদ মাহফিল করেছেন। মানে হলো ১৫ আগস্ট জন্মদিবস। আপনারা এটাকেই করবেন। শিষ্টাচার আমাদের শেখাতে আসবেন না।

 

আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, দেশের বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে এখন ষড়যন্ত্র চলছে। সামনের দিনগুলোতে অনেক চ্যালেঞ্জ আসছে। এগুলোকে মোকাবিলা করাই এখন বড় চ্যালেঞ্জ।

 

ওবায়দুল কাদের বলেন, দেশের মধ্যে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি সৃষ্টি করে একযোগে সারাদেশে বোমা হামলা করে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীরা। যখন একযোগে সারাদেশে বোমা হামলা হয় তখন বিএনপি কেন নীরব ছিল। তারা এ ঘটনার সঙ্গে নিশ্চয়ই জড়িত বলে নীরব ছিল। বিএনপি দেশের সকল ঘটনার সঙ্গে জড়িত এই কথা অস্বীকার করার কোনো সুযোগ নেই। এমনকি ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ডও বিএনপি।

 

তিনি বলেন, ১৭ আগস্ট সিরিজ বোমা হামলার পর আরও অনেক বোমা হামলার ঘটনা ঘটে। এমনকি বিচারপতিসহ কয়েকজনকে বোমা হামলা করে হত্যা করা হয়। এর পেছনে কারা ছিল? কারা সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মদত দিয়েছে? তখন যারা ক্ষমতায় ছিল, তারা এই সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মদত দিয়েছিল। তাদের চিন্তা ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে মুছে ফেলা।

 

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, যারা দেশের মানুষকে হত্যা করে, দেশের জনগণকে আগুন পুড়ে মারে তাদের কাছে রাষ্ট্র নিরাপদ নয়। তারা বারবার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। সাম্প্রদায়িক হামলা করেছে এতে প্রমাণিত হয় যে দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তির নির্ভরযোগ্য ঠিকানা হচ্ছে বিএনপি। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান ১৫ আগস্ট হত্যাকাণ্ডের কুশীলব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *