বগুড়া প্রতিনিধি: বগুড়ার ধুনটে তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে আসা সাত বছরের এক শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। সোমবার (১৪ ডিসেম্বর) রাতে মাহফিলের অদূরে বাঁশঝাড়ের ভেতর থেকে তার বিবস্ত্র মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।
নিহত ওই শিশুর নাম তাবাচ্ছুম খাতুন (৭), সে উপজেলার চৌকিবাড়ি ইউনিয়নের নসরতপুর গ্রামের বেলাল হোসেন খোকনের মেয়ে। এবং স্থানীয় পাঁচথুপি-নসরতপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণীর ছাত্রী।
শিশুটির মৃতদেহ উদ্ধার করে ১৫ ডিসেম্বর মঙ্গলবার ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে পুলিশ।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তাবাচ্ছুমের মা-বাবা মেয়েটিকে গ্রামের বাড়িতে দাদা-দাদির কাছে রেখে ঢাকার একটি পোশাক কারখানায় চাকরি করেন। সোমবার রাতে দাদা-দাদির সাথে নসরতপুর জান্নাতুল ফেরদৌস কবরস্থানের পাশে তাফসীরুল কোরআন মাহফিলে যায় তাবাচ্ছুম।
নিহত তাবাচ্ছুমের দাদা আব্দুর সবুর ও দাদি খোদেজা বেগম বলেন, তাফসিরুল কোরআন মাহফিল চলাকালিন সময় পাশের দোকান থেকে সদাই (চিপস) কেনার কথা বলে ১০টাকা নিয়ে চলে যায়। এর পর আর ফিরে আসে নাই। অনেক খুঁজা-খুঁজির পর অনুষ্ঠান স্থল থেকে ২০০মিটার দুরে রাস্তার পাশে একটি বাঁশঝাড় থেকে বিবস্ত্র অবস্থায় তাকে উদ্ধার করা হয়। পাশেই পড়ে ছিল শিশুটির পরনের কাপড়।
ধুনট থানার ওসি কৃপা সিন্ধু বালা বলেন, নসরতপুর গ্রামের কবরস্থানে অনুষ্ঠিত তাফসীরুল কোরআন মাহফিলের জন্য সরকারি ভাবে কোন অনুমতি নেওয়া হয়নি। ঘটনার রহস্য উদঘাটন করে আসামিদের অচিরেই গ্রেপ্তার করা হবে।
বগুড়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার গাজিউর রহমান বলেন শিশুটি ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যার ঘটনাটি তদন্ত চলছে। ঘটনার সাথে জড়িতদের সনাক্তের চেষ্টা ও গ্রেপ্তার অভিযান চলছে।
