অঞ্জনার সেই মন্তব্য নিয়ে অবশেষে মুখ খুললেন ডলি জহুর

চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ সম্মাননা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। প্রতি বছর চলচ্চিত্র শিল্পে অবদান রাখার জন্য এই সম্মাননা প্রদান করা হয়। এ বছরও এই পুরস্কার প্রদান করা হবে।

‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২১’র বিজয়ী তালিকা তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হয়নি। তবে বিভিন্ন সূত্রে প্রকাশ্যে এসেছে বিজয়ীদের সম্ভাব্য নাম। এতে দেখা যায় আজীবন চলচ্চিত্র পুরস্কার পাচ্ছেন যৌথভাবে ডলি জহুর এবং ইলিয়াস কাঞ্চন।

‘আজীবন চলচ্চিত্র পুরস্কার’ নিয়ে ক্ষোভ ঝাড়েন নন্দিত নায়িকা অঞ্জনা। তিনি প্রশ্ন রাখেন- নায়ক জাবেদ, উজ্জল, নূতন, সুচরিতা, শবনম নয় কেন?

গত ৬ জানুয়ারি ফেসবুক ভেরিফায়েড পেজে এক স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, ‘ডলি জহুর আপাকে কেন আজীবন সম্মাননা দেয়া হবে, এটা আমার বোধগম্য হয় না।’

অঞ্জনা আরও বলেন, ‘নিঃসন্দেহে তিনি ভালো অভিনেত্রী, কিন্তু ওনার চেয়ে স্বনামধন্য দাপুটে অভিনেত্রী চিত্রনায়িকা নূতন, সুচরিতা, চিত্রনায়ক ও নৃত্য পরিচালক জাভেদ ভাই, যারা স্বাধীনতার আগে থেকে এখন পর্যন্ত চলচ্চিত্রশিল্পে নিরলসভাবে কাজ করে চলেছেন। তাদের না দিয়ে কেন ডলি আপাকে দিলো এটা আসলেই হাস্যকর।’

অঞ্জনার এই মন্তব্যের ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে একটি সংবাদমাধ্যমকে ডলি জহুর বলেন, ‘এটা তার ব্যক্তিগত মতামত। তার কাছে এমনটা মনে হতেই পারে, স্বাভাবিক।’

চিত্রনায়ক ও নৃত্য পরিচালক জাভেদ এবং অভিনেত্রী নূতনদের ‘আজীবন সম্মাননা’ পাওয়া উচিত ছিল কিনা—জানতে চাওয়া হলে ডলি জহুর বলেন, ‘এটা তার নিজস্ব মতামত। এ নিয়ে আমি কোনো কথা বলতে চাই না। কারণ তারা সিনিয়র আর্টিস্ট। অবশ্যই এটা আশা করতে পারেন। যেকোনো আর্টিস্টই এটা আশা করতে পারেন। এ নিয়ে আমি কিছু ভাবছি না।’

প্রসঙ্গত, জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার প্রদানের জন্য গত ১৬ আগস্ট ১৩ সদস্যের জুরি বোর্ড গঠন করে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। জানা গেছে, ২০২১ সালের মুক্তিপ্রাপ্ত ২১টি পূর্ণদের্ঘ্য, ১৭টি স্বল্পদৈর্ঘ্য ও ৭টি প্রামাণ্য চলচ্চিত্রসহ মোট ৪৫টি চলচ্চিত্র জমা পড়েছিল জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারের জন্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *