বগুড়ার দুটি আসনের উপনির্বাচনে হিরো আলমের মনোনয়নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এই দুই আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোয়নপত্র তুলেছিলেন তিনি।
রোববার দুপুর ১টার দিকে মনোনয়নপত্র যাচাইবাছাইয়ের পর তা বাতিলের আদেশ দেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক সাইফুল ইসলাম।
তিনি বলেন, আশরাফুল হোসেন আলম ওরফে হিরো আলমের ১ শতাংশ ভোটার তালিকায় গরমিল পাওয়া গেছে। সেখানে কয়েকজন ভোটারের সমর্থন না পাওয়ায় দুটি আসনেই তার মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে।
মনোনয়নপত্র বাতিল প্রসঙ্গে হিরো আলম বলেন, আমি আগের বার যে ভুল করেছি সে ভুলটা এবার করিনি৷ তবুও আমার দুটো আসনেই মনোনয়ন বাতিল করা হলো৷ আমি আজ রাতে ঢাকায় যাবো ও আগামীকাল রিট করব৷
এর আগে, বিএনপির দুই সংসদ সদস্য পদত্যাগ করার পর বগুড়ার দুটি আসন থেকেই উপ-নির্বাচনে অংশ নিতে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন হিরো আলম।
গত ২ জানুয়ারি দুপুরে বগুড়ার নির্বাচন অফিস থেকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মাহমুদ হাসানের কাছ থেকে মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন তিনি।
ওইদিন মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে হিরো আলম জানান, বগুড়া ৬ ও ৪ আসনে আমি এবার নির্বাচন করব। যেহেতু আমার বাসা সদরে তাই এলাকাবাসী চায় আমি সদরে ভোট করি। তাই সদরে মনোনয়নপত্র কিনলাম। এছাড়া যেহেতু বগুড়া-৪ আসনে আমি একবার নির্বাচন করেছিলাম। তাই সেখানেও এবার আরও একবার নির্বাচন করতে চাই। আমার সদরের এলাকাবাসী এবং কাহালু নন্দীগ্রামের এলাকাবাসীর কারও যেন মন খারাপ না হয়, তাই দুই আসন থেকেই এবার নির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আশা করছি, এবার সুষ্ঠু নির্বাচন হবে।
বগুড়া-৬ (সদর) ও বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) দুটি আসন থেকেই সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী হিসেবে নির্বাচন করতে চেয়েছিলেন তিনি। কোনো আসন থেকে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করবেন না বলে জানিয়েছিলেন হিরো আলম।
একাদশ জাতীয় নির্বাচনেও আলোচিত হিরো আলম বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী (সিংহ মার্কা) হয়েছিলেন। ওইসময় তিনি ৬৩৮ ভোট ভোট পান। এতে তার জামানত বাজেয়াপ্ত হয়। তবে ভোটের মাঝমাঠে গিয়ে অবশ্য তিনি নির্বাচন বর্জন করেন।
