বিএনপির সংসদ সদস্যদের পদত্যাগের পর বগুড়ায় শূন্য ঘোষিত জাতীয় সংসদের দুটি আসন থেকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার কথা জানালেন আশরাফুল আলম ওরফে হিরো আলম।
বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) ও বগুড়া-৬ (সদর)—এই দুই আসনের উপনির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন তিনি।
শুক্রবার (৩০ ডিসেম্বর) এফডিসিতে চলছিল বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির দ্বিবার্ষিক নির্বাচন। এই নিবাচনে এফডিসিতে এসে ক্যামেরার সামনে দুই আসনে নির্বাচন করার কথা জানান তিনি।
তিনি জানান, ২০১৮ সালের নির্বাচনে বগুড়া-৪ আসনে অনেক কর্মী-সমর্থক তার জন্য কাজ করেছেন। ভোট সুষ্ঠু হলে তার বিজয় সুনিশ্চিত ছিল। এ ছাড়া বগুড়া-৬ আসনে তরুণ ভোটারদের মধ্যে তার অনেক ভক্ত ও শুভাকাঙ্ক্ষী আছেন। তাদের অনুরোধেই তিনি বগুড়া-৬ থেকেও মনোনয়ন নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তার দৃঢ় বিশ্বাস তিনি এবার এমপি হবো। তবে পরিস্থিতি বুঝে পরে একটি আসনের মনোনয়ন প্রত্যাহার করবেন বলে জানান তিনি।
প্রসঙ্গত, ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম দাখিল করেছিলেন। যাচাই-বাছাইয়ের দুই দফায় তাঁর মনোনয়ন বাতিল হয়। পরে উচ্চ আদালতে গিয়ে প্রার্থিতা ফিরে পান আশরাফুল আলম।
ব্যাপক আলোচনার মধ্যে সিংহ প্রতীক নিয়ে তিনি নির্বাচন করেন। তবে নির্বাচনের দিন কারচুপি ও নির্বাচন কমিশনের প্রতি অনাস্থা জানিয়ে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন।
উল্লেখ্য, বগুড়ার প্রত্যন্ত এরুলিয়া গ্রামে একসময় সিডি বিক্রি করতেন হিরো আলম। সিডি যখন চলছিল না, তখনই মাথায় আসে কেব্ল সংযোগ ব্যবসার। কেব্ল সংযোগ ব্যবসার সুবাদে মিউজিক ভিডিও তৈরি শুরু করেন। ইউটিউবে প্রায় ৫০০টি মিউজিক ভিডিও ছাড়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ গণমাধ্যমে আলোচনায় আসেন তিনি। ইউটিউবে প্রকাশ করা তাঁর নিজস্ব ভিডিওগুলোও অনেক জনপ্রিয়। ভিডিওগুলোর নির্দেশনাও দেন তিনি।
