আশরাফুল হোসেন ওরফে হিরো আলম। তার নামের সঙ্গে ভাইরাল শব্দটি যেন ভীষণভাবে জড়িয়ে আছে। তাকে ঘিরে শত আলোচনা-সমালোচনা।
এই তো মাসখানেক আগে বিকৃত সুরে রবীন্দ্রসংগীত গেয়ে পুলিশের কাছে মুচলেকা দিয়েছিলেন তিনি। এরপর আর গানের চৌকাঠ পেরোননি। তবে সম্প্রতি কবিতা আবৃত্তি করে নতুন করে চর্চিত হচ্ছেন হিরো আলম।
নিজের জীবন নিয়ে লেখা একটি কবিতা আবৃত্তি করেন তিনি। এ কবিতার মাধ্যমে তার জীবনের দুঃখ-দুর্দশার চিত্র উঠে এসেছে। প্রস্তুতি হিসেবে গত দুই মাস জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক জুয়েল আদীবের কাছে আবৃত্তিচর্চা করেছেন হিরো আলম।
তার সেই সাহসকে সাধুবাদ জানিয়েছেন দেশীয় ছবির অন্যতম সফল পরিচালক মালেক আফসারী। বিভিন্ন সময় তিনি সোশ্যাল মিডিয়ায় নানান বিষয়ে আলোচনা, তীব্র সমালোচনা ও ক্ষোভ প্রকাশ করে ভিডিওবার্তা দেন।
হিরো আলম প্রসঙ্গে মালেক আফসারী বলেন, আমরা যতই হাসি-তামাশা করি না কেন, হিরো আলমকে থামানো যাবে না। কেউ পারবে না। পুলিশও পারে না। হিরো আলম পৃথিবীর অর্ধেক ভাষায় গান গেয়ে ফেলেছে। এই গানগুলো সে কীভাবে গায়? কেন গায়? এই যে এখন চশমা পরে, কবিদের মতো চাদর গায়ে জড়িয়ে কবিতা আবৃত্তি করছে, সেটাই বা কেন? আসলে এখানে হিরো আলমের কোনো দোষ নেই। সে বলে, মানুষকে আনন্দ দেওয়ার জন্যই তিনি এসব করেন। কিন্তু কিছু মানুষ খুব বাজেভাবে তার সমালোচনা করে।
নির্মাতা আরও বলেন, সে (হিরো আলম) নিজেকে ভাইরাল করতে পেরেছে। সারা বিশ্বের বিভিন্ন আন্তর্জাতিক মানের চ্যানেলে তাকে নিয়ে নিউজ করেছে। শিক্ষিত সমাজই তার পাশে।
মালেক আফসারীর ভাষ্য, আমি হিরো আলমকে অনুসরণ করি। আমি হিরো আলম হতে চাই না, তবে তার চেষ্টাটাকে ফলো করি। সাধুবাদ জানাই। কাউকে ছোট করে দেখার কিছু নেই। আমি তার জন্য মন থেকে দোয়া করি।
হিরো আলমের উদ্দেশে তিনি বলেন, হিরো আলম ভালো থেকো। কে কি বললো মাথায় নিও না। তোমার মতো তুমি এগিয়ে যাও।





