Home ফিচার এবার কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকা ব্যবসার আশা

এবার কক্সবাজারে ৫০০ কোটি টাকা ব্যবসার আশা

0
76

কক্সবাজার: সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রতিমা বিসর্জন, সাপ্তাহিক ও ঈদে মিলাদুন্নবীর (সা.) টানা ছুটি উপলক্ষে কক্সবাজারে লাখো পর্যটকের ঢল নেমেছে। বুধবার (৫ অক্টোবর) বিকেলে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার শেষদিনে দেশের সবচেয়ে বড় আয়োজনে সৈকতে প্রতিমা বিসর্জন হয়েছে। এতে হিন্দু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি দেখা গেছে দেশি-বিদেশি পর্যটকসহ সকল সম্প্রদায়ের মানুষকে।

এদিকে, বিসর্জনের পরেরদিন থেকেই পড়েছে সাপ্তাহিক ছুটি ও রবিবার ১০ অক্টোবর ১২ রবিউল আউয়াল, ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.)। পূজা, সাপ্তাহিক সবমিলিয়ে অবসর কাটাতে মৌসুমের প্রথম কক্সবাজারে ভিড় করেছেন পর্যটকরা।

বুধবার সকাল থেকে পর্যটকের ঢল নেমেছে সৈকতের বিভিন্ন পয়েন্টে। কলাতলী, সুগন্ধা ও লাবণী পয়েন্ট, হিমছড়ি, ইনানীসহ সকল পর্যটক স্পট পর্যটকে সরগরম হয়ে উঠেছে। ভিড় রয়েছে শহর ও পর্যটন এলাকার বিভিন্ন সড়ক-উপসড়কেও। রিজার্ভ ছাড়া যাত্রী না তোলায় রীতিমতো দেখা দিয়েছে যানবাহন সংকট। গণপরিবহণগুলো পর্যটকদের রিজার্ভ ভাড়া ধরতে গিয়ে স্থানীয়দের এড়িয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ প্রতিনিয়ত।

জানা গেছে, টানা কয়েক দিনের ছুটিতে পর্যটকদের বাড়তি চাপ সামাল দিতে হোটেল-মোটেল ও গেস্টহাউস মালিকদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ১০ অক্টোবর পর্যন্ত বেশির ভাগ হোটেল ও গেস্টহাউস বুকিং হয়েছিল। লাখের অধিক পর্যটক বর্তমানে অবস্থান করছে। এই ছুটিতে প্রায় ৫০০ কোটি টাকার ব্যবসা হওয়ার আশা করছেন ব্যবসায়ীরা ।

হোটেল সী গাজীপুরের মহা-ব্যবস্থাপক আব্দুল জাব্বার বলেন, পর্যটক মেলায় আমাদের প্রায় রুম বুকিং হয়েছে। আমাদের ১০ তারিখ পর্যন্ত বুকিং আছে। অনেক পর্যটক রুম চাইলেও দিতে পারছি না।

কলাতলীর রেন ভিউ মালিক মুকিম খান জানান, হোটেল-মোটেলে যে পরিমাণ ধারণক্ষমতা তার চেয়েও লোকসমাগম বেশি হয়েছে। রুম বুকিং করে যারা এসেছেন, তারা ছাড়া বাকিরা ভোগান্তিতে পড়ছেন। এখানে লাখেরও বেশি মানুষের থাকার ব্যবস্থা রয়েছে। কিন্তু বেশি পর্যটক এলে রাত্রিযাপন নিয়ে ভোগান্তিতে পড়তে হয়।

কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. মামুনুর রশীদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তার জন্য প্রতিটি পয়েন্টে আমাদের তথ্য কেন্দ্র রয়েছে। পর্যটকরা যদি হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়ে, তাদের জন্য প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য চিকিৎসক রয়েছে। পাশাপাশি সমুদ্র গোসল করতে নামা পর্যটকদের জন্য আমাদের বিচ কর্মী ও সী লাইফ গার্ড কর্মীরা কাজ করছে। পর্যটকদের হয়রানি রোধে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট কাজ করছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here