নজর২৪ ডেস্ক- এবার উপ’সর্গ নিয়ে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি হয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অন.শনরত সেই ছাত্রী। তিনি ডাকসুর ভিপি নুরুল হক নুর ও আবদুল্লাহ আল মামুনের বি’রুদ্ধে ধ.র্ষ.ণ মা’মলার বাদী। আ’সামিদের গ্রে’ফতারের দা’বিতে অনশনে রয়েছেন তিনি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের স্নাতকোত্তরের সেই ছাত্রীকে রোববার (১৯ অক্টোবর) রাত দেড়টায় হাসপাতালে নেয়া হয়। এসময় তার ১০২ ডিগ্রি জ্বর ছিল। গত ৮ অক্টোবর থেকে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্য পাদদেশে অন’শনে আছেন। তাকে স্যালাইন দিয়ে রাখা হয়েছিল।
ঢাবির ওই ছাত্রীর কর্মসূচিতে সংহ.তি জানানো ইফফাত আরা বলেন, কয়েকদিন ধরে মেয়েটি জ্বরে ভুগছিল। আমরা সবাই অনেক রিকোয়েস্ট করি হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার জন্য। কিন্তু তিনি অন’শন ছেড়ে যেতে রাজি হননি। কাল রাতে জ্বরের ঘোরে আবোলতাবোল করতে থাকলে আমরা তাকে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে যাই। এখনও তিনি সেখানেই আছেন।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক জাকিউল ফুয়াদ বলেন, তাকে করোনা সাস’পেক্ট ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে। করোনাসহ ডে’ঙ্গুর টে’স্ট করানো হয়েছে। তবে এখনো রে’জাল্ট আসেনি।
তিনি বলেন, অন’শনের কারণে শারী’রিকভাবেও তিনি খুব দু’র্বল। এর আগেরবার যখন হাসপাতালে ভর্তি হলো, আমরা সা’জেস্ট করেছিলাম অ’ন্তত ২৪ ঘণ্টা নিবি’ড় পরি’চর্যায় থাকার জন্য। কিন্তু তিনি রাজি হননি। অন’শনস্থলে ফিরে গেছে। কিন্তু এবার তার রি’স্ক আরও বেশি।
গত ২০ সেপ্টেম্বর রাতে ধ.র্ষ.ণ ও ধ.র্ষ.ণে সহযোগিতার অ’ভিযোগ এনে লালবাগ থানায় মা’মলা করেন ওই ছাত্রী। এতে বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক হাসান আল মামুনকে প্রধান আ’সামি এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ ছয়জনকে আ’সামি করা হয়। পরদিন একই বা’দী কোতোয়ালি থানায় ডিজিটাল নিরাপত্তা আ’ইনে মা’মলা করেন।
তবে ১৭ দিন পার হলেও এসব মা’মলায় কেউ গ্রে’ফতার না হওয়ায় গত ৮ অক্টোবর রাতে অন’শনে বসেন তিনি। তার সঙ্গে সংহতি জানিয়ে ছাত্রলীগের বিভিন্ন ইউনিটের ২২ নেত্রীও সেখানে অবস্থান নেন। ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে রাতেই ওই ছাত্রীর জন্য রাজু ভাস্কর্যে প্যা’ন্ডেল তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।
