Home বিনোদন আগে জীবনে প্রাণ ছিল, শত দারিদ্রতায় সুখ ছিল: চঞ্চল চৌধুরী

আগে জীবনে প্রাণ ছিল, শত দারিদ্রতায় সুখ ছিল: চঞ্চল চৌধুরী

0
202

বিনোদন ডেস্ক- চোখ বুজে শৈশবে ফিরে গেলে সবার নাকেই ফিরে আসে নতুন বইয়ের ঘ্রাণ। চোখে ভাসে বইয়ের রঙিন প্রচ্ছদ। সেই বই যাতে ছিঁড়ে না যায়, তার জন্য কত চেষ্টা। পুরনো ক্যালেন্ডার কেটে কিংবা বাজার থেকে মোটা কাগজ কিনে এনে বইয়ের ওপর আলাদা মলাট লাগানোর অভিজ্ঞতা কম-বেশি সবার জীবনেই আছে।

 

ফেলে আসা শৈশব চাইলেও ফিরে পাওয়া যায় না। কিন্তু নতুন প্রজন্মের মাঝে সেই অনুভবটুকু তো ছড়িয়ে দেওয়া যায়। সেটাই করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। নিজের ছেলের নতুন বইয়ের মলাট লাগিয়ে দিয়েছেন তিনি।

 

এর মাধ্যমে চঞ্চল যেমন ফিরে গেছেন তার চেনা শৈশবে, আবার অনুসারীদের মনেও স্মৃতির উসকানি দিয়েছেন। সোমবার (১৩ ডিসেম্বর) ছেলে শুদ্ধ’র সঙ্গে তোলা একটি ছবি শেয়ার করেন চঞ্চল। সেখানেই দেখা গেল, ফ্লোরে বসে নতুন বইতে মলাট লাগাচ্ছেন অভিনেতা।

 

উপলব্ধি হল তার- “অযথাই জীবনটাকে আমরা অনেক বেশী জটিল করে ফেলেছি। সহজ সরল জীবনাচরন থেকে সরে এসেছি বহু দূরে। প্রাণের আনন্দ মেলানোর মূহুর্তগুলো আমরা এখন আর সহসা খুঁজে পাই না। তাই ছেলের নতুন ক্লাশের বইয়ের মলাট লাগানোর উৎসবেও মাতোয়ারা থাকি। অন্যরকম সুখ, ভালো লাগার অন্যরকম অনুভূতি।”

 

শৈশব স্মৃতিচারণ করে চঞ্চল আরও বলেন, “সকালের রোদে পিঠ দিয়ে, পিঠাপিঠি ভাইবোনগুলির পুরাতন বইগুলোকে মলাট দিয়ে নতুন বানানোর উৎসবে। আগে জীবনে প্রাণ ছিল। শত দারিদ্রতায় সুখ ছিল। সেই সুখগুলো না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছে।”

 

সন্তানের সঙ্গে দুরত্ব ঘোচাতে চঞ্চল চৌধুরীর পরামর্শ- “সন্তানের নতুন ক্লাশের নতুন বইতে মলাট লাগানো হলো কিনা, খবরটা নিতে পারেন। আপনার ভালো লাগবে কিনা জানিনা, আপনার সন্তানের কিন্তু ভালো লাগবে।”

 

চঞ্চল চৌধুরীর তিন সন্তান শৈশব, রুদ্র ও শুদ্ধ। বড় ছেলে শুদ্ধ পড়াশোনার ফাঁকে ফাঁকে সংগীতের শিক্ষকের কাছে তালিম নিচ্ছে। বছর দুয়েক আগে বাবা-ছেলের কণ্ঠে রবীন্দ্রসংগীত ‘পুরানো সেই দিনের কথা’ ফেসবুকে প্রকাশের পর শ্রোতাদের কাছে বেশ প্রশংসিত হয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here