Home ফিচার চিত্রনায়ক আলমগীরের মৃত্যুর গুজবে ক্ষুব্ধ রুনা লায়লা

চিত্রনায়ক আলমগীরের মৃত্যুর গুজবে ক্ষুব্ধ রুনা লায়লা

0
182

বিনোদন ডেস্ক- ঢাকাই সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা আলমগীর। বৃহস্পতিবার (২৮ অক্টোবর) রাতে খবর ছড়াতে থাকে, তিনি আর নেই। বেশ কিছু আইডি ও পেজে পোস্ট দিয়ে আলমগীর মারা গেছেন বলে দাবি করা হয়; যা দ্রুতই ছড়িয়ে পড়ে সোশ্যাল মিডিয়ায়। এবারই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার তার মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছে।

 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এই অভিনেতা সুস্থ আছেন এবং বাসায়ই রয়েছেন। যা ছড়িয়েছে তা গুজব। গত এপ্রিলে করোনা আক্রান্ত আলমগীরকে নিয়ে মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল। কয়েক মাসের ব্যবধানে আবারও এমন গুজবে বিরক্ত ও মর্মাহত তার পরিবার।

 

মিথ্যা তথ্যে আলমগীরের মৃত্যুর গুজব ছড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তার স্ত্রী উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী রুনা লায়লা।

 

তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘কী বলব ভাষাই খুঁজে পাচ্ছি না। যিনি বা যারা এমনটা করছেন, তারা কী ধরনের পৈশাচিক আনন্দ খুঁজে পান, তা–ও তো বুঝি না। এ ধরনের খবর ছড়ানোর পেছনে তাদের কী ধরনের রুচি বা উদ্দেশ্য কাজ করে, সেটাও মাথায় আসে না।’

 

রুনা লায়লা আরও বলেন, ‘একজন পরিপূর্ণ সুস্থ মানুষকে নিয়ে মৃত্যু খবর ছড়িয়ে দেওয়ার পর তার পরিবার কী পরিমাণ মানসিক চাপের মধ্যে থাকে, তা তো শুধু ভুক্তভোগীরাই বুঝতে পারেন। গুজব ছড়িয়ে পড়ার পর চারদিক থেকে ফোন আসা শুরু করে। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা ভীষণ উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। সবাইকে এ রকম অস্থির অবস্থার মধ্যে ফেলে ওই চক্ররা কী মজা পায়, কী লাভ হয়, কিছুই বুঝি না। আমরা সত্যিই ভীষণভাবে মর্মাহত।’

 

বাবার মৃত্যুর গুজব ছড়ানোয় ক্ষোভ প্রকাশ করে কণ্ঠশিল্পী আঁখি আলমগীর ফেসবুকে এক পোস্টে লেখেন, ‘আব্বু সুস্থ আছেন, ভালো আছেন। দয়া করে অমানুষের মতো গুজব ছড়াবেন না। আপনারাও কোনো বাবা মায়ের সন্তান। এত ঘৃণ্য কাজ কীভাবে করতে পারেন?’

 

উল্লেখ্য, তারকাদের মৃত্যুর গুজব ছড়ানো নতুন বিষয় নয়। এর আগে নায়ক রাজ রাজ্জাক, এটিএম শামসুজ্জামান, প্রবীর মিত্র, এন্ড্রু কিশোর, আজম খান, আইয়ুব বাচ্চুদের মৃত্যুর গুজবও ছড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ছড়ানো হয়ে প্রয়াত অভিনেতা এটিএম শামসুজ্জামানের মৃত্যুর গুজব। কিছুদিন আগে সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অভিনেতা ও সাংসদ ফারুকেরও মৃত্যুর গুজব ছড়িয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here