অন্তু দাস হৃদয়, স্টাফ রিপোর্টার: টাঙ্গাইল সদর উপজেলার মগড়া ইউনিয়নের হটিবাড়ী দক্ষিণপাড়ায় অপরিকল্পিত পুকুর খননে ওই গ্রামের হেকমত আলীর (৭০) বসতবাড়ী ভেঙে যাওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
হেকমত আলীর অভিযোগ, পাশ^বর্তী শহিদুল ইসলামরা প্রভাবশালী হওয়ায় তার বাড়ি ঘেষে পুকুর খনন করায় তার বসতবাড়ী গাছপালা ভেঙে পুকুরে যাচ্ছে। গত সোমবার রাতে হেকমত আলীর বাঁশঝাড় ও ভিটেবাড়ী ভেঙে পুকুরে চলে যায়। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোন সুরাহা হয়নি।
হেকমত আলীর অভিযোগ, ২৫ বছর আগে হেকমত আলীর বসতবাড়ীর সীমানা ঘেষে শহিদুল ইসলামরা পুকুর খনন করে। তবে পুকুরের কোন পার না থাকায় ওই সময়ে প্রতিবাদ করেন। কিন্তু পার বাঁধার প্রতিশ্রুতি দেন শহিদুল ও তার পরিবারের সদস্যরা। এরপর প্রতি বছরই চৈত্র মাসে পুকুর খনন করেন। পুকুরে পানি না শুকালে মেশিন দিয়ে সেচে তারপর পুকুর খনন করে। কিন্তু পুকুরের পার বাঁধে না।
গত তিন দিন আগে বৃষ্টিতে বাঁশ ঝাড়সহ ভিটেবাড়ী ভেঙে যাচ্ছে। গত কয়েক বছরে হেকমত আলীর বসতবাড়ী ১০ ফিট প্রস্থ প্রায় ২০০ ফিট বাড়ি ভেঙে পুকুরে পড়ে গেছে।
বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সমাধানের চেষ্টা করা হলেও কোন সুরাহা হয়নি। শহিদুল ইসলাম তার বসতবাড়ী ক্ষতিপূরণসহ পুকুরের পাড় বাঁধাইয়ের দাবি জানিয়েছেন।
হেকমত আলী ছেলে মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, শহিদুলদের জমিতে যা ইচ্ছে তাই করতে পারে। তবে আরেকজনের ক্ষতিতো করতে পারে না। শহিদুলরা প্রভাবশালী হওয়ায় তারা প্রতিবছর পুকুর খনন করে।
তারা পুকুর পরিমাপ করার জন্যও সার্বেয়ার আনলেও তারা পুকুর পরিমাপ না করে আবার সার্ভেয়ারকে বিদায় দিয়েছেন। আমাদের যা ক্ষতি হয়েছে তার ক্ষতিপূরণের দাবি করছি।
অভিযুক্ত শহিদুল ইসলাম বলেন, হেকমতরা আমাদের জমিতে টয়লেন নির্মাণ করছে। আমাদের পুকুরের কারণে কারও বাড়ি ভাঙছে না।
স্থানীয় ইউপি সদস্য শাহজাহান মিয়া বলেন, পুকুরের পার না থাকায় হেকমতদের আসলেও ক্ষতি হচ্ছে। এ ছাড়াও বিষয়টি নিয়ে সমাধানের চেষ্টা করা হলে স্থানীয়ভাবে দুটি গ্রুপ হওয়ায় তা সমাধান করা সম্ভব হয়নি।





