Home বিনোদন দ্বন্দ্ব চরমে, জায়েদ খানকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অমিত হাসানের

দ্বন্দ্ব চরমে, জায়েদ খানকে ওপেন চ্যালেঞ্জ অমিত হাসানের

0
166

বিনোদন ডেস্ক- দ্বন্দ্বে জড়িয়েছেন ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের জনপ্রিয় নায়ক অমিত হাসান ও জায়েদ খান। চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিকে ঘিরে দ্বন্দ্ব শুরু হয়েছে এই দুই নায়কের। অমিত হাসান শিল্পী সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। অন্যদিকে, জায়েদ খান সংগঠনটির বর্তমান সাধারণ সম্পাদক।

 

একই পদের সাবেক সদস্যকে নিয়েই যত ক্ষোভ, অভিযোগ জায়েদ খানের।

 

অমিত হাসানের বিরুদ্ধে জায়েদের অভিযোগ, চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক থাকাকালে অমিত হাসান সবচেয়ে বেশি অন্যায় করেছেন। সদস্য নির্বাচনের ক্ষেত্রে নিয়ম না মেনে যাকে-তাকে সদস্য করেছে আগের কমিটি।’

 

জায়েদের এমন অভিযোগ ভিত্তিহীন জানিয়ে পাল্টা জবাব দিয়েছেন অমিত হাসান।

 

এক গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অমিত হাসান বলেন, ‘১৮৪ জন সদস্যই কি মাছ বিক্রি করেন? সেলুনে চাকরি করেন? চিত্রনায়িকা ইরিন জামান, শিমু ইসলাম কি মাছ বিক্রি করেন! সদস্যপদ দেওয়ার ক্ষেত্রে কোনো অন্যায় হয়নি। প্রশ্নই আসে না। আমি কী অন্যায় করেছি, বলতে হবে। আমি ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়লাম। ঢালাওভাবে মন্তব্য করা তো ঠিক নয়।

 

জায়েদের প্রতি ওপেন চ্যালেঞ্জ ছুড়ে অমিত বলেন, ‘জীবনে কোনো সিনেমায় অভিনয় করেননি, এমন একজনকে সদস্য বানিয়েছি, প্রমাণ দিতে হবে। প্রমাণ না দিলে বক্তব্য প্রত্যাহার করতে হবে। আর যদি প্রমাণ দিতে পারে অনিয়ম করেছি, তাহলে বর্তমান কমিটি যে পানিশমেন্ট দেবে, তা-ই মেনে নেব। এটা আমার ওপেন চ্যালেঞ্জ।’

 

এসময় তিনি বলেন, শিল্পী সমিতির গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দুই বছর কারও সিনেমা মুক্তি না পেলে তাঁর পূর্ণ সদস্যপদ থাকে না। ভোটাধিকার থাকারও কথা নয়, এটা ঠিক। তা–ই যদি হয়ে থাকে, বর্তমান সাধারণ সম্পাদকের যে কমিটি, সেখানে অঞ্জনা ম্যাডামের তো ১২ বছর ধরেই চলচ্চিত্র মুক্তি পায় না, রোজিনা ম্যাডামেরও ১৫ বছর ধরে কোনো চলচ্চিত্র মুক্তি পায় না। আরমান ও নৃত্য পরিচালক জাকিরের সিনেমাও মুক্তি পায় না অনেক বছর। তাঁরা তো নির্বাচনও করছেন।

 

যাঁদের ভোটাধিকারই থাকার কথা নয়, তাঁরা আবার নির্বাচনও করছেন! তাঁদের নিয়েই বর্তমান কমিটি চলছে। গঠনতন্ত্র অনুযায়ী তাঁরা আজীবন সদস্য হিসেবে থাকবেন। আজীবন সদস্যরা ছবিতে অভিনয় না করলেও ভোট দিতে পারবেন। কিন্তু নির্বাচনে প্রার্থী হতে পারবেন না। অথচ তাঁরা আজীবন সদস্যপদ প্রত্যাহার করে নির্বাচন করলেন! কিন্তু যখনই প্রত্যাহার করলেন, তখনই তাঁরা সাধারণ সদস্য। তখন কিন্তু তাঁরা ভোটার নন। সেই তাঁরাই আবার নির্বাচনে প্রার্থী হয়ে কমিটিতেও জায়গা নিলেন!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here