Home আলোচিত স্ত্রী নয়, প্রতারণার দায় নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন ইভ্যালির রাসেল

স্ত্রী নয়, প্রতারণার দায় নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন ইভ্যালির রাসেল

0
235

নজর২৪ ডেস্ক- গ্রাহকদের টাকা আত্মসাতের দায় স্ত্রী ও ইভ্যালি চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের কাঁধে না দিয়ে তা নিজের কাঁধেই নিচ্ছেন ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রাসেল।

 

রাজধানীর গুলশান থানা পুলিশ তাদের দুজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। সেই সূত্রে রোববার বিষয়টি জানা গেছে।

 

সূত্র আরও জানিয়েছে, রাসেল দেশ ছেড়ে পালাতে চেয়েছিলেন। তবে গোয়েন্দা নজরদারিতে থাকায় তার পক্ষে তা সম্ভব হয়নি।

 

এর আগে ইভ্যালির বিরুদ্ধে ১৬ সেপ্টেম্বর গুলশান থানায় এক গ্রাহক মামলা করলে ওই দিন বিকেলে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে তাদের বাসায় অভিযান চালিয়ে রাসেল ও তার স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

 

এদিকে রাসেল ও তার স্ত্রীর মুক্তির দাবিতে গণস্বাক্ষর নিতে প্রতিষ্ঠানটির প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হচ্ছেন গ্রাহক ও সেলাররা। গতকাল রোববার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ধানমন্ডির ১৪ নম্বর সড়কে ইভ্যালির প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হতে দেখা যায় তাদের।

 

এ বিষয়ে কর্মসূচির আহ্বায়ক মীর আমজাদ হোসেন আকাশ বলেন, ‘আমরা চাই প্রধান নির্বাহী আমাদের মাঝে ফিরে আসুক। গ্রাহকদের পাওনা মিটিয়ে দিক। তাকে গ্রেপ্তার করে আটকে রাখা কোনো সমাধান নয়। গ্রাহক ও সেলাররা তাদের প্রাপ্য ফিরে পাক।’

 

অন্যদিকে ইভ্যালির বিরুদ্ধে রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় আরেকটি মামলা হয়েছে। মামলায় মো. রাসেল, শামীমা নাসরিনসহ ১২ জনকে আসামি করা হয়েছে। শনিবার রাতে কামরুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী এই মামলা করেন। ধানমন্ডি থানার ওসি ইকরাম আলী মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

 

মামলার অপর আসামিরা হলেন- ইভ্যালির ভাইস প্রেসিডেন্ট আকাশ, ম্যানেজার জাহেদুল ইসলাম, সিনিয়র অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার তানভীর আলম, সিনিয়র এপিকিউটিভ (কমার্শিয়াল) জাওয়াদুল হক চৌধুরী, হেড অব অ্যাকাউন্ট সেলিম রেজা, অ্যাকাউন্টস ম্যানেজার জুবায়ের আল মাহমুদ, অ্যাকাউন্ট শাখার কর্মী সোহেল, আকিবুর রহমান তুর্য, সিইওর পিএস রেজওয়ান ও বাইক ডিপার্টমেন্টের কর্মকর্তা সাকিব রহমান। এ ছাড়া মামলার এজাহারে আরও ১৫-২০ জন অজ্ঞাতনামা আসামির কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

 

মামলার এজাহারে কামরুল ইসলাম বলেছেন, তিনি মেট্রো কভারেজ, স্মার্ট ফুড অ্যান্ড বেভারেজ, ফ্রিডম এপপোর্ট-ইম্পোর্ট বিডি ও ফিউচার আইটি নামে প্রতিষ্ঠানগুলোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি ইভ্যালির সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ হয়ে গ্রাহকদের মোট ৩৫ লাখ ৮৫ হাজার টাকার পণ্য সরবরাহ করেছেন। পণ্য সরবরাহের বিপরীতে ইভ্যালি তাদের একটি চেক দিলেও সেই অ্যাকাউন্টে কোনো টাকা ছিল না। এ ঘটনায় চলতি বছরের ১২ জানুয়ারি তারা ইভ্যালির বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় একটি জিডি করেন। তবু ইভ্যালি তাদের কোনো অর্থ পরিশোধ করেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here