নজর২৪ ডেস্ক- পরীমনির পর অভিযান চালিয়ে তার সঙ্গী অভিনেতা ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজকেও আটক করেছে র্যাব। তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকের পাশাপাশি বিকৃত যৌনাচার সরঞ্জাম জব্দ করেছে র্যাব। অভিযানে থাকা র্যাবের একাধিক কর্মকর্তা এ তথ্য জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়, রাজের বাসায় একটি রুম পাওয়া যায়। যেখানে একাধিক নারী-পুরুষ একসঙ্গে বিকৃত যৌনাচারে ব্যবহার্য সরঞ্জামাদি সজ্জিত ছিল। এটি নজরুল ইসলাম রাজের ‘রাজ মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন হাউস’র একটি কক্ষ বা বিশেষ বিছানা। এই বাসাতে পর্নো ভিডিও বানানো হতো বলেও জানা গেছে।
রাত ১০টা ২৫ মিনিটে নজরুল ইসলাম রাজকে বাসা থেকে বের করা হয়। তাকে র্যাব সদর দফতরে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। রাত ১০টার দিকে তার বাসা থেকে জব্দ করা মাদক ও সরঞ্জাম গণমাধ্যমকর্মীদের সামনে নিয়ে আসেন র্যাব-১ এর সদস্যরা। তার এক সহযোগীকেও আটক করা হয়েছে।
এর আগে, রাত আটটার দিকে র্যাবের একটি দল রাজের বনানীর জি ব্লকের ৭ নম্বর রোডের ৪১ নম্বর বাসায় অভিযান শুরু করে। বিষয়টি নিশ্চিত করেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের উপ-পরিচালক মেজর হুসাইন রইসুল আজম মনি।
এর আগে চিত্রনায়িকা পরীমনিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে রাত সাড়ে ৮টায় বনানীতে রাজের বাসায় অভিযানে যায় র্যাব। টানা দুই ঘণ্টার অভিযান শেষে রাত ১০টা ১৫ মিনিটের দিকে তাকে আটক করেন র্যাবের সদস্যরা।
তারও আগে বিকেলে ‘সুনির্দিষ্ট কিছু অভিযোগের’ ভিত্তিতে পরীমনির বাসায় অভিযানে যায় র্যাব। পরে সন্ধ্যায় পরীমনিকে আটক করা হয়। যেসব অভিযোগ রয়েছে সে ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পরীমনিকে র্যাব সদরদফতরে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।
র্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন জানান, মডেল ফারিয়া মাহাবুব পিয়াসার সহযোগী মিশুকে গ্রেপ্তারের পর তার কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু তথ্য পাওয়া গেছে। এর ভিত্তিতেই রাজকে আটক করেছে র্যাব।
ঢাকাই চলচ্চিত্রের প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের বাড়ি গোপালগঞ্জ সদরের দুর্গাপুরে। চলচ্চিত্র ও নাটক প্রযোজনার পাশাপাশি তিনি নিয়মিত অভিনয়ও করেন।
দেশের শোবিজ অঙ্গনকে এগিয়ে নেয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৯ সালের জুলাইয়ে যাত্রা শুরু করে রাজ মাল্টিমিডিয়া।





