নজর২৪ ডেস্ক- দেশে শুরু হওয়া সাত দিনব্যাপী সর্বাত্মক লকডাউনের (বিধিনিষেধ) তৃতীয় দিন চলছে। আজ (শনিবার) সড়কে মানুষ ও যানবাহনের পাশাপাশি রিকশার তুলনামূলক উপস্থিতি বেড়েছে। তবে সেই সংখ্যা লকডাউনের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে নগণ্যই আছে।
এদিকে চেকপোস্টগুলোতে পুলিশ কিছুটা নমনীয় হলেও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকার কারণে মূলত যানবাহনের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হচ্ছে। ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের শনির আখড়া ও রায়েরবাগ চেকপোস্ট ঘুরে এমন পরিস্থিতি দেখা গেছে।
শনিবার (৩ জুলাই) এই মহাসড়কে পণ্যবাহী যানবাহন ছাড়াও প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস, সিএনজি চালিত অটোরিকশা, মোটরসাইকেল এবং প্রচুর রিকশা চলাচল করতে দেখা গেছে।
চেকপোস্টগুলোতে দায়িত্বপ্রাপ্ত সার্জেন্টদের গাড়ির কাগজপত্র পরীক্ষা করতে দেখা গেছে। গাড়িচালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স কিংবা গাড়ির বৈধ কাগজপত্র না থাকলে মামলা দিচ্ছেন ট্রাফিক পুলিশের কর্মকর্তারা।
ডেমরা ট্রাফিক জোনের কয়েকজন পুলিশ কর্মকর্তা না প্রকাশ না করে বলেন, ‘আজকে টেকপোস্টগুলোতে মূলত বৈধ কাগজপত্র না থাকা যানবাহনগুলোর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। সেটাই করা হচ্ছে। বিধিনিষেধ ভাঙার জন্য কোনো গাড়ির বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না।
রায়েরবাগ চেকপোস্টে (ঢাকায় প্রবেশ) দায়িত্ব পালন করছিলেন ডেমরা ট্রাফিক জোনের সার্জেন্ট শরিফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘যথাযথ কাগজপত্র না থাকায় দুটি গাড়ির বিরুদ্ধে মামলা দিয়েছি। গাড়ির চাপ থাকলেও লকডাউনের (বিধিনিষেধ) মধ্যে যেসব গাড়ি চলাচল করার কথা শুধু সেগুলোই চলাচল করছে। আমরা সব গাড়িই চেক করছি।’
চেকপোস্টে দাঁড়িয়ে দেখা গেছে, গাড়ি আটকালেই বেশিরভাগ যাত্রী বলছেন ডাক্তার দেখাতে গিয়েছিলেন। এই বলেই প্রেসক্রিপশন এগিয়ে দেন।
চেকপোস্টে দায়িত্ব পালন করা আরেক সার্জেন্ট মো. আনোয়ার হোসেন বলেন, ‘যেসব গাড়ি আসছে সেগুলোর কোনোটিতে রয়েছেন বিদেশফেরত যাত্রী, কোনোটিতে রোগী নিয়ে ডাক্তার দেখাতে যাচ্ছেন, কোনোটিতে শিল্পকারখানার কর্মকর্তা ও কর্মীরা যাচ্ছেন। কোনো গাড়িই আমরা চেক করা ছাড়া ছেড়ে দিচ্ছি না। কাগজপত্র দেখছি।’
