বিয়ে করে মাহি বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’?

বিনোদন ডেস্ক- মাত্র কিছুদিন আগে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে পাঁচ বছরের সংসার ভাঙার খবর দেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি। সিলেটের ব্যবসায়ী স্বামী মাহমুদ পারভেজ অপুর সঙ্গে বিচ্ছেদ হওয়ার খবর জানিয়ে গত ২২ মে দিবাগত রাতে ফেসবুক স্ট্যাটাস মাহি লিখেন, ‘এই পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো মানুষটার সঙ্গে থাকতে না পারাটা অনেক বড় ব্যর্থতা।’

 

এখনো সেই রেশ কাটতে না কাটতে নতুন অরেকটি স্ট্যাটাস দিয়ে ভক্তদের মাথা ঘুরপাক খাইয়ে দিলেন এই চিত্রনায়িকা। বিয়ের ‘আবহমাখা’ একটি ছবি পোস্ট করেছেন তিনি।

 

গেল শুক্রবার (১১ জুন) দিবাগত রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া পোস্টের ক্যাপশনে এই নায়িকা লিখেছেন, ‘আমি তোমাকে গানে, সিনেমায় এমনকি সব জায়গায় অনুভব করি, আলহামদুলিল্লাহ।’

 

মাহির এমন ছবি ও ক্যাপশনে নতুন কিছুর ইঙ্গিত খুঁজে ফিরছেন মাহি-ভক্তরা। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যারা এই নায়িকাকে ফলো করেন তারা, আর যারা ফলো করেন না তারাও কষছেন নতুন হিসাব। মাহি কি আবার বিয়ের পিঁড়িতে বসছেন?

 

মেহেদি রাঙা হাত, পরনে লাল কাতান শাড়িতে বললেন ‘আলহামদুলিল্লাহ’। বিষয়গুলো একসঙ্গে করে চোখ বন্ধ করুন। কী মনে পরে? একটা বিয়ে বিয়ে আবহ কি ভেসে আসে কল্পনায়?

 

যদি উত্তর হয় হ্যাঁ, তাহলে কল্পনার সেই পরিবেশটি তৈরি করেছেন চিত্রনায়িকা মাহিয়া মাহি। তবে পরিবেশটা কল্পনার, না বাস্তবের তার প্রমাণ পাওয়া যায়নি এখনও। অবশ্য ঘটনাটি সঠিক হওয়ার ইঙ্গিত রেখে গেছেন মাহি।

 

বিয়ের জন্য এ দেশের বেশির ভাগ মানুষ যে শুক্রবারকে বেছে নেন, এ কথা নিশ্চয়ই সবাই স্বীকার করবেন। আর শুক্রবার রাতেই বিয়ের আবহমাখা একটি ছবি পোস্ট করেন মাহি।

 

ছবিতে তাকে মেহেদি রাঙা হাতে মোবাইল ফোন ধরে রাখতে দেখা যাচ্ছে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে লাল কাতান শাড়ি পরে নিজেই নিজের ছবিটি তোলেন তিনি।

 

এর আগে ৭ জুন রাতে মাহি একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন। যেখানে তিনি নায়িকা নুসরাত ফারিয়াকে ভিডিওটি ট্যাগ করে লিখেছিলেন, ‘নুসরাত ফারিয়া, কালকে নাচব এই গানে।’ অর্থাৎ তিনি ৮ জুন নুসরাত ফারিয়ার গাওয়া ‘আমি চাই থাকতে’ গানটিতে নাচতে চেয়েছিলেন।

 

যদিও মাহি বলেছিলেন, সেটি ছিল তার ফান পোস্ট। তবে এখন ধারণা করা হচ্ছে, সেটি ছিল তার হলুদের রাতের প্রস্তুতি।

 

পুরো বিষয়টি জানতে পক্ষ থেকে মাহির কাছে জানতে চাওয়া হয়, তার ‘আলহামদুলিল্লাহ’ বলার কারণ কী। তবে প্রশ্নের কোনো উত্তর দেননি মাহি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *