Home ফিচার ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে একহাত নিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে একহাত নিলেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

0
96

নজর২৪ ডেস্ক- বাংলাদেশ নিয়ে বিজেপির সাবেক সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের কড়া জবাব দিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেন। অমিত শাহকে একহাত নিয়েছেন তিনি। বলেছেন, বাংলাদেশ নিয়ে তার জ্ঞান সীমিত। আমাদের দেশে এখন কেউ না খেয়ে মরে না। এখানে কোনো মঙ্গাও নেই।

 

ভারতের অন্যতম প্রধান দৈনিক আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত বিজেপির সাবেক সভাপতি ও ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মঙ্গলবার রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওই প্রতিক্রিয়া জানান।

 

আব্দুল মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক যখন এতটা গভীর, তখন এ ধরনের মন্তব্য গ্রহণযোগ্য নয়। আর এ ধরনের মন্তব্যে সম্পর্কে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

 

গতকাল আনন্দবাজার পত্রিকায় অমিত শাহ বলেন, বাংলাদেশের গরিব মানুষ এখনো খেতে পায় না, তাই ভারতে আসে। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এলে বাংলাদেশ থেকে অনুপ্রবেশ বন্ধ করা হবে।

 

অমিত শাহর মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্দুল মোমেন বলেন, ‘পৃথিবীতে অনেক জ্ঞানী লোক আছেন, দেখেও দেখেন না, জেনেও জানেন না। তবে তিনি (অমিত শাহ) যদি সেটা বলে থাকেন, আমি বলব, বাংলাদেশ নিয়ে তাঁর জ্ঞান সীমিত। আমাদের দেশে এখন কেউ না খেয়ে মরে না। এখানে কোনো মঙ্গাও নেই।’

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভারতের লোকদের ৫০ শতাংশের কোনো ভালো বাথরুম নেই। আর আমাদের ৯০ শতাংশ লোকই ভালো বাথরুম ব্যবহার করেন। আমার দেশের শিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব আছে, তবে অশিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব নেই। আর ভারতের লক্ষাধিক মানুষ বাংলাদেশে চাকরি করে। তাই আমাদের ভারতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

 

তিনি বলেন, তারা যদি এ ধরনের চিন্তা করে থাকেন, তাহলে আমি বলবো, তাদের জ্ঞানের পরিধি বাড়াতে হবে। আর তাদের মনে হয় আমরা সঠিক তথ্য জানাতে পারিনি। এটা আমাদের দীনতা। তাদের সঠিক তথ্য জানাতে আমরা সচেষ্ট থাকবো।

 

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আমার দেশের শিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব আছে। তবে কম শিক্ষিত লোকের চাকরির অভাব নেই। আর ভারতের এক লাখের বেশি মানুষ বাংলাদেশে চাকরি করে। তাই আমাদের ভারতে যাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here