অভিনেত্রী সুচরিতা। আসল নাম বেবী হেলেন হলেও ঢাকাই চলচ্চিত্রে সুচরিতা নামেই পরিচিত। সুচরিতার অভিনয় জীবনের শুরুটা হয়েছিল শিশুশিল্পী হিসেবে। পরে বহু চলচ্চিত্রে নায়িকা হিসেবে অভিনয় করে পেয়েছেন আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তা। ১৯৭২ সালে আজিজুর রহমান পরিচালিত ‘স্বীকৃতি’ ছবিতে প্রথম নায়িকা হিসেবে কাজ করেন।
১৯৭৭ সালে আবদুল লতিফ বাচ্চু পরিচালিত ‘জাদুর বাঁশি’ ছবিটি তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। ইলিয়াস কাঞ্চন, ওয়াসিম এবং উজ্জলের সঙ্গে বেশ কিছু রোমান্টিক ছবিতে তার জুটি গড়ে ওঠে।
দীর্ঘ শিল্পী জীবনে ২ শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন। ২ বার পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার। প্রথমবার এই স্বীকৃতি অর্জন করেন চাষী নজরুল ইসলাম পরিচালিত হাঙর নদী গ্রেনেড সিনেমার অভিনেত্রী হিসেবে। দ্বিতীয়বার এই স্বীকৃতি তার ঘরে আসে মেঘকন্যা সিনেমায় মাদার চরিত্রের জন্য।
চলতি সময়ে সুচরিতা অভিনয় করছেন ছটকু আহমেদ পরিচালিত আহারে জীবন সিনেমায়।
সাদাকালো যুগের সাড়া জাগানো এই নায়িকা বলেন, বহু বছর ধরে সিনেমায় অভিনয় করছি। অভিনয় আমার ভালোবাসা, অভিনয় আমার নেশা। অভিনয় করে এক ধরণের শান্তি পাই। এজন্য এখনো অভিনয় আমাকে টানে।
আহারে জীবন ছাড়াও বদিউল আলম খোকন পরিচালিত ৩টি সিনেমায় অভিনয় করছেন সুচরিতা। তিনি বলেন, সিনেমাটা এখন শখে করি।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমরা সিনিয়ররা একটু সম্মান আর ভালোবাসা চাই। যতদিন আছি ভালোবাসা ও সম্মান নিয়ে বাঁচতে চাই। আর কোনো চাওয়া নেই।
মানুষের ভালোবাসা কিভাবে দেখেন? এই প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, খুব ইতিবাচকভাবে দেখি। একজন শিল্পী হিসেবে মানুষ ভালোবাসে, সম্মান করে এটা তো অবশ্যই ভালো লাগে। এজন্যই তো বলি, যতদিন আছি ভালোবাসা ও সম্মান নিয়ে বাঁচতে চাই।





