Home আলোচিত নারী ফুটবলারদের বেতন সম্মানজনক হওয়া দরকার: ফারুকী

নারী ফুটবলারদের বেতন সম্মানজনক হওয়া দরকার: ফারুকী

0
186

সাফে নতুন ইতিহাস রচনা করেছে বাংলাদেশের সাবিনা খাতুনরা। তাদের সাফল্যে গর্বিত পুরো বাংলাদেশ। দেশে এসে জনগণের ভালোবাসায় সিক্ত হয়েছে নারী ফুটবলাররা। তাদের প্রতি দেশের মানুষের যে ভালোবাসা তা দেখে আবেগে আপ্লুত প্রতিটি নারী ফুটবলার।

সাফে ফুটবলারদের পাশাপাশি পুরো ম্যানেজমেন্টের ভুমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো। তবে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ বিজয়ের পরে নারী ফুটবলারদের বেতন বৈষম্যের বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়েছে।

এবার তা নিয়ে নিজ মতামত তুলে ধরলেন দেশের খ্যাতিমান নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক স্ট্যাটাসে ফারুকী বলেন, এখন যে বিষয়টি নিয়ে কথা বলা দরকার তা হলো এদের বেতন কাঠামো সম্মানজনক জায়গায় নেয়া।

স্ট্যাটাসের শুরুতেই বাফুফে সভাপতি কাজী সালাউদ্দিনকে নিয়ে ফারুকী লেখেন, ‘মাঝে মধ্যে আমার মনে হয় আমরা সব কিছু এমনভাবে ঠেলতে শুরু করি, যে তখন আর জিনিসপত্র অবজেক্টিভলি দেখার সুযোগ থাকে না। এই যেমন সালাউদ্দিন ভাই। উনার বিতর্কিত শেষ নির্বাচন, সভাপতি পদে প্রায় চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত, অনেক সময়ই অপ্রয়োজনীয় এবং যুক্তিহীন কথা যেমন মেয়েদের বিয়ে দিতে সাহায্য করা, দৃষ্টিকটু রাগ- এরকম আরো অনেক বিষয়েই সমালোচনা করা যাইতে পারে।

‘কিন্তু বহু বছর আগ থেকেই এই মেয়েদের এক সাথে রেখে ট্রেনিং করানো এবং এদের একটা টিম হিসাবে গড়ে উঠতে সাহায্য করাটাকে অ্যাপ্রিশিয়েট না করাটা ঠিক হবে না। এমনকি উনাদের সর্বশেষ সংবাদ সম্মেলন ও ফটোসেশন ডিজাস্টারকে সমালোচনা করলেও তাতে তাদের এই কৃতিত্ব আড়াল করার সুযোগ নাই। গাইজ, প্লিজ লেটস গিভ দেম হোয়াট দে ডিজার্ভ।’

এরপর সাফ বিজয়ীদের বেতন কাঠানো নিয়ে তিনি লেখেন, ‘এখন যেটা দরকার সেটা হলো, এদের বেতন কাঠামো সম্মানজনক জায়গায় নেয়া। এই বিষয়ে সবাই কথা বললে শুধু যে এই খেলোয়াড়দের জন্য ভালো হবে তা না, অন্য মেয়েরাও খেলায় আসতে উৎসাহিত হবে। এছাড়াও, দেশের ভেতর মেয়েদের নিয়মিত টুর্নামেন্ট কেমনে খেলানো যায় এসব নিয়েও ভাবা যাইতে পারে।’

ঢাকাসহ সারা দেশের মেয়েদের কীভাবে ফুটবল ও অন্যান্য খেলার প্রতি মনোযোগী করা যেতে পারে তা নিয়েও সবাইকে ভাববার আহ্বান জানান ফারুকী।

তিনি লেখেন, ‘জেলায় জেলায় ফুটবল করা যায় কেমনে দেখা যাইতে পারে। এমনকি গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি, উত্তরা, মিরপুরের স্কুলগুলাতে কি হচ্ছে, ওখানকার মেয়েরা কি খেলতে চায়, চাইলে কিভাবে ওদের ইনক্লুড করা যায়, এরকম নানা আইডিয়া নিয়া ভাবেন। এই মনোযোগ আর জোয়ারটাকে পজিটিভলি কাজে লাগানো যায় কিভাবে সেটা ভাবি আসেন। ধন্যবাদ।’

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here