রাজধানীর উত্তরায় নির্মাণাধীন বাস র্যাপিড ট্রানজিট (বিআরটি) প্রকল্পের গার্ডার ক্রেন থেকে ছিটকে পড়ে প্রাইভেটকারে থাকা শিশুসহ পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
মঙ্গলবার (১৬ আগস্ট) ময়নাতদন্ত শেষে তাদের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়। সেখানে মরদেহ নিতে ভিড় করেন আত্মীয়স্বজনরা।
এখানেই ঘটে বিপত্তি। দুর্ঘটনা থেকে বেঁচে ফেরা হৃদয়ের বাবা নিহত রুবেলের স্ত্রী হিসেবে দাবি করেছেন এখন পর্যন্ত ৭ জন।
রত্না নামে রুবেল মিয়ার মেয়ে পরিচয় দিয়ে একজন তার বাবার সাত স্ত্রীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আলোচিত এই দুর্ঘটনার পরদিন মঙ্গলবার নিহত পাঁচজনের ময়নাতদন্ত হয় রাজধানীর হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে।
দুপুরের আগে শেরেবাংলা নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) উৎপল বড়ুয়া বলেন, ‘ময়নাতদন্ত হয়ে গেছে। এখন লাশ হস্তান্তর করবে। আর এই কাজটি করবে উত্তরা পশ্চিম থানা।’
বিকেল তিনটা দিকে উত্তরা পশ্চিম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মোহসীন জানান, রুবেলের মরদেহ কার কাছে হস্তান্তর করা হবে তা এখনও নির্ধারণ হয়নি।’
কেন এই সিদ্ধান্তহীনতা-সেই বিষয়ে জানতে চাইলে পুলিশ কর্মকর্তারা জানান, একাধিক নারী এসে নিজেদেরকে রুবেলের স্ত্রীর দাবি করছেন।
ঘটনাস্থলে যান রুবেলের মেয়ে পরিচয় দেয়া রত্না নামে এক তরুণীর কাছ থেকে জানা যায় সাত জনের কথা।
তিনি জানান, তার মায়ের সঙ্গে বাবার বিচ্ছেদ হওয়ার পর যোগাযোগ ছিল না। এর মধ্যে দুর্ঘটনার মৃত্যুর কথা জেনে তিনি সেখানে এসেছেন।
রুবেলের স্ত্রী পরিচয়ে আসা পাঁচ জন নারীর নাম উল্লেখ করেন রত্না। বলেন আরও একজন আছেন যিনি নাম বলতে নিষেধ করেছেন।
রত্মা এও জানান, আরও এক নারী নিজেকে রুবেলের স্ত্রী দাবি করছেন, তবে তার কথা তিনি জানেন না আর কখনও দেখেনওনি।
