তারকাদের বিয়ের খবরে যেমন সবাই অনেক খুশি হয়। তেমনি বিচ্ছেদের খবরে মন খারাপও হয়। তবে ভারতীয় ইন্ডাস্ট্রির টালিউড পাড়াতে বিচ্ছেদের খবর যেন থামছেই না।
সম্প্রতি গায়ক দুর্নিবারের বিচ্ছেদ নিয়ে চর্চা চলছে চারদিকে। তারই মাঝে নতুন করে আরো এক কলকাতার অভিনেত্রীর বিচ্ছেদের খবর ঘুরে বেড়াচ্ছে। টালিউডের জনপ্রিয় তারকা ও বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। অভিনেতার স্ত্রীর পোস্ট থেকেই গুঞ্জনটি ছড়িয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।
হিরণের বউ অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায় তার সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে লিখেছেন, ‘বাবা সদ্যোজাত সন্তানকে রেখে চলে যেতে পারে, ২২ বছর পরে বিয়ে-বৌকে অপ্রয়োজনীয় মনে করতে পারে। এমনই সন্তানের মানসিক অবস্থার প্রতি উদাসীন হতে পারে….’ আর এই পোস্ট থেকেই উসকে উঠছে সব জল্পনা। কারণ হিরণের বিয়ের বয়সও যে ২২।
তবে এই নিয়ে জল্পনা উঠতেই রেগে আগুন হিরণ। এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘এসব অসত্য খবর পরিবেশন করে সবাই কী যে আনন্দ পায় কে জানে! বিধায়ক তার বিধানসভায় বেশি সময় কাটাবে এটা তো স্বাভাবিক। এর সঙ্গে প্রেমের যোগ কোথায়’। সঙ্গে হিরণ আরও জানান তার বউ এমনিতেই সেই পোস্টটি লিখেছিলেন সোশ্যাল মিডিয়ায়।
তার সঙ্গে ওর দাম্পত্য জীবনের কোনও সম্পর্ক নেই। ১৬ বছরের অভিনয় জীবনে কোনওদিন কোনও নায়িকা বা নারী পরিচালকের সঙ্গে তার নাম জড়ায়নি। এখন তিনিও জানেন না কেন এই ধরনের খবর ছড়াচ্ছে।
অভিনেতা-বিধায়কের আক্ষেপ, ‘আমার মেয়ে একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। এই ধরনের ভুয়া খবর তার জীবনে কত খারাপ প্রভাব ফেলতে পারে তা কেউ ভাবছেই না। মেয়েকে যখন ওর বন্ধুরা প্রশ্ন করবে, তখন কী উত্তর দেবে বেচারি। ওকে মানুষ করতে গিয়েই তো আমার থেকে দূরে অনিন্দিতা। এখন যদি সবাই মিলে খড়গপুর চলে আসি তাহলে তো স্কুল বন্ধ হয়ে যাবে।’
প্রসঙ্গত, প্রথমে সবুজ শিবিরে থাকলেও পরে ক্ষোভ নিয়ে তৃণমূল ছেড়েছিলেন হিরণ। বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। নির্বাচনে লড়ার টিকিট পেয়ে খড়গপুর বিধানসভা কেন্দ্রের নব নির্বাচিত বিধায়কও হয়েছেন তিনি। তারপর থেকে খড়গপুর অঞ্চলেই।
