রাজিব মজুমদার, মীরসরাই (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি: পবিত্র ঈদুল আযহা সামনে রেখে মীরসরাইয়ের বিভিন্ন বাজারের গরুর হাটে পশুর আমদানি শুরু হয়েছে। ক্রেতা-বিক্রেতার সরব উপস্থিতিতে জমে উঠছে কোরবানি পশুর হাট। তবে ক্রেতাদের চাহিদা মাঝারি সাইজের দেশি গরুর প্রতি।
বুধবার (৬ জুলাই) উপজেলার জোরারগঞ্জ বাজার ও করেরহাট বাজার এবং বৃহস্পতিবার (৭ জুলাই) মিঠাছরা ও বারইয়ারহাট বাজারের গরুর হাটে গিয়ে দেখা গেছে এ চিত্র। বাজারে অন্যবারের তুলনায় এবার গরু ছাগলের দাম বেশি দেখা গেছে। তবে বিক্রেতা ও ক্রেতারা উভয়েই বলেছেন, উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কোরবানি ঈদের আগের দিন পর্যন্ত হাটগুলোতে কেনা-বেচা বেশি হবে। তাদের প্রত্যাশা ওই হাটে বেচাকেনা আরও ভালো হবে।
ক্রেতারা গরুর হাটে এসে ঘোরাফেরা করছেন, দাম জানতে চাচ্ছেন কিন্তু সাধারণ ক্রেতাদের গরু কিনতে কম দেখা গেছে। জোরারগঞ্জ বাজারের পশুর হাটে মনিরুল ইসলাম চৌধুরী লিটন নামে এক ক্রেতা বলেন, কোরবানীর ঈদ হিসেবে জোরারগঞ্জে গরুর হাটের হাবভাব দেখতে এসেছি।
আপাতত একটি ছাগল ক্রয় করেছি। ঈদের আগে আরো কয়েকটি হাট পাব। সেদিন গরু কিনব। তিনি বলেন, ঈদের এত আগে থেকে গরু কিনে রক্ষাণাবেক্ষণ করা কঠিন।
দেশি গরু ও মহিষ নিয়ে হাটে আসা আবু ইউছুফ চৌধুরী খান সাব নামে এক বিক্রেতা বলেন, ঈদের প্রথম গরুর হাট হিসেবে গরু ও মহিষের দাম ভালোই। তবে পশুর দাম যাচাই করছেন ক্রেতা। এখনো বিক্রয় তেমন হয়নি।
জোরারগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নুর হোসেন মামুন বলেন, গরু বিক্রেতারা যাতে নির্বিঘ্নে হাটে আসতে পারেন, ক্রেতারা যাতে কোন সমস্যা ছাড়া গরুর হাট থেকে কিনে নিরাপদে বাড়ি ফিরে যেতে পারেন, সে ব্যাপারে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।
উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মোছাম্মৎ তাহমিনা আরজু বলেন, মীরসরাইয়ের ৩১টি স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটে গরু ছাগলের স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য ভ্রাম্যমান মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা প্রানী সম্পদ অফিসের তত্ত্বাবধানে এই মেডিকেল টিম পশুর হাটে কাজ করছে।





